নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলের শিক্ষক নেতা সিরাজুল ইসলামকে অবিলম্বে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। শুক্রবার সেই নির্দেশের পরিবর্তন করে আপাতত তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিল ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় এদিন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। নির্দেশ পরিবর্তন করে এদিন ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সিরাজুলকে বরখাস্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সিঙ্গল বেঞ্চ। কিন্তু তাতেও অবশ্য বিশেষ স্বস্তি পেলেন না সিরাজুল। অবিলম্বে তাঁর বেতন বন্ধ করে তাঁকে গ্রপ্তার করার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর সিঙ্গল বেঞ্চ।
এদিন মামলার শুনানিতে বিচারপতি বসুর প্রশ্ন, কেন অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও এতদিন ধরে ওই শিক্ষকনেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি? এক্ষেত্রে সিআইডির উপর কোনও চাপ আছে কি না, তাও জানতে চান বিচারপতি। শুক্রবারই সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব কি না, জানতে চেয়েছেন বিচারপতি। সিআইডির উদ্দেশে বিচারপতি বসু বলেন, ‘উনিতো সেই নোবেল ব্যক্তি, ওঁর বেতন বন্ধ করুন। ওঁকে দু’-তিনদিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করুন।’ সিআইডি জানিয়েছে, নথি সংগ্রহ করতে দেরি হওয়ার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এই কথা শুনে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারপতি বসু বলেন, ‘কথা ঘোরানোর চেষ্টা করবেন না। আজকের মধ্যে কি গ্রেপ্তার করতে পারবেন?’ সিআইডি উত্তরে বলে, ‘আমরা চেষ্টা করব।’ এরপরই রাজ্যকে বিচারপতি বসু জানান, উনি যদি স্কুলে যান, তাহলে ‘সিরিয়াস পদক্ষেপ’ করা হবে। আগামী ৯ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।