ভোপাল: সরকারি নথিতে নাম থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৫০ হাজার সরকারি কর্মীর বেতন না ছাড়ার ঘটনায় নড়েচড়ে বসল মধ্যপ্রদেশ সরকার। রাজ্য ট্রেজারি থেকে চিঠি পাওয়ার পর সরকারের তরফে নিষ্ক্রিয় কর্মীদের তথ্য বেতন তালিকা থেকে মুছে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে ওই ৫০ হাজার কর্মীকে বেতন দেওয়া হয়নি। সব মিলিয়ে ২৩০ কোটি টাকার এই বেতন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে মধ্যপ্রদেশে। ওই কর্মীদের সরকারি নথিতে নাম রয়েছে। এমপ্লয়ি কোডও রয়েছে। বেতন না দেওয়া সত্ত্বেও তা নিয়ে কিন্তু কেউ অভিযোগ ওঠেনি। তারপরই জল্পনা ছড়ায়, তাহলে কি ‘ডাবল ইঞ্জিন’ মধ্যপ্রদেশের ফাইলের তলায় কোনও রহস্য চাপা রয়েছে? এই ৫০ হাজার সরকারি কর্মী কি আদতে ভুয়ো? সরকারি খাতায় ভুয়ো কর্মী দেখিয়ে বেতনের টাকা কেলেঙ্কারি চলছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসার পরেই গত ২৩ মে মধ্যপ্রদেশ সরকারের কমিশনার অব ট্রেজারি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস (সিটিএ) রাজ্যের ৬ হাজারের বেশি ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারকে (ডিডিও) চিঠি লিখে তদন্তের নির্দেশ দেয়। সিটিএর অধীন স্টেট ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স সেল (এসএফআইসি) ট্রেজারির তথ্যভাণ্ডারের পুঙ্খনাপুঙ্খ পরীক্ষা চালায়। নিষ্ক্রিয় আইডিগুলি চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী তথ্যভাণ্ডার আপডেট করার নির্দেশও দেওয়া হয়। মধ্যপ্রদেশ সরকারের দাবি, এখনও কোনও ভুয়ো বা সন্দেহভাজন কর্মী পাওয়া যায়নি।



