Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬

ভোটের আগে নারী ও যুব সম্প্রদায়ের ক্ষোভ মেটাতে জোড়া তাস নীতীশের, শুধু বিহারের বাসিন্দাদের জন্য ৩৫ শতাংশ মহিলা কোটার চাকরি

বিহারে বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, এনডিএতে শরিকি কোন্দল ততই বাড়ছে। উপেন্দ্র কুশওয়া, চিরাগ পাসোয়ানের মতো নেতাদের মন্তব্যে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে।

ভোটের আগে নারী ও যুব সম্প্রদায়ের  ক্ষোভ মেটাতে জোড়া তাস নীতীশের, শুধু বিহারের বাসিন্দাদের জন্য ৩৫ শতাংশ মহিলা কোটার চাকরি
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০

পাটনা: বিহারে বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, এনডিএতে শরিকি কোন্দল ততই বাড়ছে। উপেন্দ্র কুশওয়া, চিরাগ পাসোয়ানের মতো নেতাদের মন্তব্যে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে। আইন-শৃঙ্খলা ও বেকারত্বের মতো ইস্যুতে শাসক শিবিরকে রোজ তুলোধোনা করছে বিরোধীরাও। ঘরে বাইরে চাপের মুখে পড়ে এবার মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের ক্ষোভ সামলাতে জোড়া তাস খেললেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিহারে সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৫ শতাংশের যে কোটা রয়েছে, এবার থেকে একমাত্র রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দারাই সেই কাজ পাবেন। আগের মতো আর বাইরের রাজ্যের কোনও মহিলা এই কোটায় চাকরির আবেদন করতে পারবেন না। একইসঙ্গে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তরুণ-তরুণীদের জন্য চাকরির সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিহার যুব কমিশন গঠনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

২০১৬ সালে বিহারে সরকারি চাকরির সব স্তরে মহিলাদের জন্য ৩৫ শতাংশ সংরক্ষণ চালু হয়েছিল। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের সরকারি চাকরিতে ডমিসাইল নীতি কার্যকরে বিরোধীরা চাপ বাড়াচ্ছিল নীতীশ সরকারের উপর। বিরোধী দলনেতা তেজস্বী প্রসাদের প্রতিশ্রুতি ছিল, আরজেডি সরকার গঠন করলে রাজ্য সরকারি সমস্ত চাকরি শুধুমাত্র বিহারের বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই চাপের মুখে এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মহিলাদের ৩৫ শতাংশ কোটার চাকরি এবার থেকে শুধুমাত্র রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। বাইরের রাজ্যের কেউ এই কোটায় চাকরি পাবেন না। অতিরিক্ত মুখ্যসচিব (ক্যাবিনেট সচিবালয়) এস সিদ্ধার্থ বলেন, ‘এই নয়া নীতির ফলে রাজ্যে স্থায়ী বাসিন্দা মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা ও চাকরির নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।’ পাশাপাশি এদিনই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিহার যুব কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবিষয়ে নীতীশ কুমার এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘বিহারের যুব সম্প্রদায়ের জন্য আরও চাকরি সুযোগ তৈরি করতে, তাঁদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিহার যুব কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।’

সম্পর্কিত সংবাদ