Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভোটের আগে নন্দীগ্রামে ৪৩ জন তৃণমূল নেতাকে নোটিস দিল এনআইএ! কাঞ্চননগরে সমবায় নির্বাচনে বোমাবাজি

ভোটের মুখে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতাকে নোটিস পাঠাল এনআইএ। শনিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম-১ ব্লক এলাকার ওই নেতাদের বাড়ি বাড়ি নোটিস পাঠানো হয়েছে।

ভোটের আগে নন্দীগ্রামে ৪৩ জন তৃণমূল নেতাকে নোটিস দিল এনআইএ! কাঞ্চননগরে সমবায় নির্বাচনে বোমাবাজি
  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নন্দীগ্রাম: ভোটের মুখে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতাকে নোটিস পাঠাল এনআইএ। শনিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম-১ ব্লক এলাকার ওই নেতাদের বাড়ি বাড়ি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁদের আগামী ১৭ এপ্রিল কলকাতায় এনআইএ অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে। নোটিস প্রাপকদের তালিকায় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আলরাজি, জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সামসুল ইসলাম, ব্লক নেতা বাপ্পাদিত্য গর্গ, নন্দীগ্রাম অঞ্চল সভাপতি শঙ্কু নায়েক সহ অঞ্চল ও বুথস্তরের নেতারাও আছেন। ভোটের মুখে একঝাঁক নেতার বাড়িতে নোটিস পাঠানোর ঘটনায় নন্দীগ্রামজুড়ে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন, নন্দীগ্রামে ভোটে হার নিশ্চিত জেনে বিজেপি এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে। আগামী ২৩ এপ্রিল বিজেপিকে এর উপযুক্ত জবাব দেবে নন্দীগ্রামবাসী।

Advertisement

২০২৪ সালে ৮ ডিসেম্বর তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ব্যাঙ্কের নির্বাচন ছিল। নন্দীগ্রাম জোনের সেই ভোট হয়েছিল দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন কাঞ্চননগর দিদারুদ্দিন হাইস্কুলে। সেই ভোটে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। একটি বোমাও পড়েছিল। সেই মামলার তদন্তভার পেয়েছে এনআইএ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গত ১ এপ্রিল এনিয়ে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। সেই মামলায় নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের একসঙ্গে ৪৩ নেতাকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।
এদিন নোটিস ইস্যু হওয়ার পর থেকেই অধিকাংশ নেতা মোবাইল সুইচ অফ করে দিয়েছেন। ভোটের মুখে তাঁরা গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় ভুগছেন। মোট ৪৩ জনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা শেখ সুপিয়ান। তিনি বলেন, আমাকে এই মামলায় রেহাই দিয়েছে। তবে, ব্লক, অঞ্চল ও বুথস্তরের একঝাঁক নেতাকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। আসলে ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই করতে পারবে না বুঝে, বিজেপি এজেন্সি অস্ত্র ব্যবহার করছে।
বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ব্যাংকের ভোটের দিন অশান্ত হয়ে উঠেছিল ভোটগ্রহণ কেন্দ্র। আমাদের লক্ষ্য করে বোমা ছুড়েছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সেখানে তৃণমূল নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সামনেই বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। সেই মামলার তদন্তভার পেয়েছে এনআইএ। তাই তদন্তকারী সংস্থার তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জেনেছি। এই ঘটনার সঙ্গে ভোটের রাজনীতির যোগ নেই।

সম্পর্কিত সংবাদ