Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দাক্ষিণাত্যে খোঁজ মিলল আরশোলার নয়া প্রজাতির

চোখের সামনেই ঘুরে বেড়িয়েছে। তবে, এতদিন বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেননি। এবার ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাক্ষিণাত্যের কৃষিজমিতে থাকা আরশোলার বিশেষ প্রজাতি আবিষ্কার করলেন জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (জেডএসআই) বিজ্ঞানীরা।

দাক্ষিণাত্যে খোঁজ মিলল আরশোলার নয়া প্রজাতির
  • ২৪ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চোখের সামনেই ঘুরে বেড়িয়েছে। তবে, এতদিন বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেননি। এবার ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাক্ষিণাত্যের কৃষিজমিতে থাকা আরশোলার বিশেষ প্রজাতি আবিষ্কার করলেন জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (জেডএসআই) বিজ্ঞানীরা। নিওলবোপটেরা পেনিনসুলারিস নামে প্রজাতির এই আরশোলাগুলির হদিশ মেলে মহারাষ্ট্রের পুনের দৌন্ড এলাকার নাথাচিওয়াড়িতে। এর ফলে ভারতে আরশোলা প্রজাতির সংখ্যা দাঁড়াল ১৯০। এটা সারা ভারতে মেলা আরশোলার বৈচিত্র্যের ৩.৮ শতাংশ। জেডএসআইয়ের পুনে এবং চেন্নাই অফিস প্রফেসর রামকৃষ্ণ মোরে আর্টস, কমার্স অ্যান্ড সায়েন্স কলেজ-এর সঙ্গে যৌথভাবে এই গবেষণা চালিয়েছে। 

Advertisement

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সারা পৃথিবীতে মেলা ৫০০০ প্রজাতির আরশোলার মাত্র ১ শতাংশই হল ক্ষতিকর। বাকিরা কোনো না কোনোভাবে পরিবেশের উপকার করে। বহু আরশোলা প্রজাতিই মাটির পুষ্টিবর্ধনে বিশেষ উপযোগী। এতদিন পেনিনসুলারিস জাতের দুটি আরশোলাই দাক্ষিণাত্যে নথিভুক্ত ছিল। এবার তার সংখ্যা আরো একটি বাড়ল। এদেশে আরশোলা নিয়ে গবেষণা, পর্যবেক্ষণের শুরু ১৭৫৮ সাল থেকে। ২৬৮ বছরের ইতিহাসে এটি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। বলা হয়ে থাকে, ভারতে যত প্রজাতির আরশোলা মেলে, তার ৫০ শতাংশই পৃথিবীর অন্যত্র আর পাওয়া যায় না। জেডএসআই পুনের প্রধান, বাসুদেব ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, এটা শুরু মাত্র। এরপরে ১০০টি নতুন বারকোড প্রকাশ করা হবে। ফলে, জীববৈচিত্র্য আরো সমৃদ্ধ হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ