নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কাজ একই। জব চার্টও এক। অথচ ভাতায় ছিল বৈষম্য। এমনও অবস্থা ছিল যে অভিজ্ঞরা সদ্য নিযুক্তদের তুলনায় কম ভাতা পাচ্ছিলেন। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের মধ্যে ভূরি ভূরি এমন উদাহরণ রয়েছে। এই বৈষম্য দূর করে ‘পে প্রোটেকশন’ দেওয়ার নির্দেশ দিল স্বাস্থ্যদপ্তর। ৩০ জুলাই এক নির্দেশনামায় এই ‘পে প্রোটেকশন’ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে বিপুল সংখ্যক চুক্তিভিত্তিক কর্মীর আর্থিক বৈষম্য দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বভাবতই খুশি ‘আর্থিক বঞ্চনার’ শিকার বহু কর্মী। উচ্ছ্বসিত পশ্চিবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা স্বাস্থ্যদপ্তরের চুক্তির কর্মীদের ‘পে প্রোটেকশন’-এর দাবিতে সরব ছিলেন। বহুবার ডেপুটেশনও দিয়েছেন দপ্তরের কর্তাদের। এই জয় আসলে তাদের আন্দোলনের জয়। এই নির্দেশের ফলে উপকৃত হবেন অন্তত ৬৩-৬৪ ধরনের কাজে যুক্ত কয়েক হাজার চুক্তির কর্মী। ন্যাশনাল আরবান হেলথ মিশনে কর্মরত স্বাস্থ্যভবনের পদস্থ অফিসারদের সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।