Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

নমামি গঙ্গে প্রকল্প: ইন্দোর ও উজ্জ্বয়িনীতে নিকাশি উন্নয়নের কাজ শুরুই হয়নি

মধ্যপ্রদেশে দূষিত জল পান করে মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরগরম জাতীয় রাজনীতি। একটানা আটবার যে শহর দেশের সবথেকে ‘পরিচ্ছন্নতা’র তকমা পেয়েছে, সেই ইন্দোরে কীভাবে দূষিত জল পান করে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে চাপানউতোর এবং বিতর্ক।

নমামি গঙ্গে প্রকল্প: ইন্দোর ও উজ্জ্বয়িনীতে নিকাশি উন্নয়নের কাজ শুরুই হয়নি
  • ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রদেশে দূষিত জল পান করে মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরগরম জাতীয় রাজনীতি। একটানা আটবার যে শহর দেশের সবথেকে ‘পরিচ্ছন্নতা’র তকমা পেয়েছে, সেই ইন্দোরে কীভাবে দূষিত জল পান করে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে চাপানউতোর এবং বিতর্ক। এহেন আবহেই এবার বিজেপি শাসিত রাজ্যের সম্পূর্ণ নতুন তথ্য প্রকাশ্যে এল। জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মসূচি নমামি গঙ্গের আওতাভুক্ত নিকাশি পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সংক্রান্ত তিনটি প্রকল্পের একটিরও কাজ মধ্যপ্রদেশে এখনও পর্যন্ত শুরুই হয়নি। আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ইন্দোর এবং উজ্জ্বয়িনীতে এপ্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে ২০২৩ সালে। নাগড়ায় ২০২৪ সালে। অর্থাৎ, দু’টো বছর কেটে গেলেও ইন্দোর এবং উজ্জ্বয়িনীতে দুই প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজে হাতই দেয়নি বিজেপি সরকার। 

Advertisement

গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জলশক্তি মন্ত্রক নমামি গঙ্গে কর্মসূচির এখনও পর্যন্ত যে সর্বশেষ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেখানেই এহেন তথ্য সামনে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই এর ফলে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারও। নমামি গঙ্গের আওতায় মধ্যপ্রদেশে যে তিনটি নিকাশি পরিকাঠামোগত সংক্রান্ত প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তার মোট বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৬৬৯ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা। সবমিলিয়ে ২৯.৩৭ কিলোমিটার নিকাশি নালা তৈরি এবং সংস্কারের কাজ রয়েছে। এই পরিমাণ ইন্দোরেই সবথেকে বেশি। ১৫.২৭ কিলোমিটার। 
নমামি গঙ্গের ওই সর্বশেষ রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ইন্দোরের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ। উজ্জ্বয়িনীর প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে ২০২৩ সালের ২৪ মে। নাগড়ার প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ। দু’বছর আগে অনুমোদন দেওয়া হলেও উজ্জ্বয়িনীর প্রকল্পে এখনও দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়াই শেষ হয়নি। ইন্দোর সহ বাকি দু’টির ‘অফিসিয়াল স্টেটাস’ হল, ‘প্রকল্পটি চালু আছে’। অর্থাৎ, আন্ডার প্রগ্রেস! ইন্দোরের প্রকল্পটি প্রধানত কানহ এবং সরস্বতী নদীর দূষণ মোকাবিলায় নিকাশি পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সংক্রান্ত কর্মসূচিই। অর্থাৎ, এর ফলে পরোক্ষে পানীয় জলের পরিশুদ্ধিকরণের মতো বিষয়ও অনেকাংশেই জড়িয়ে রয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ