ভারতীয় রাগ সঙ্গীত সত্যিই বৈচিত্র্যময়। কণ্ঠ সঙ্গীত থেকে যন্ত্রসঙ্গীত। আজও সমান জনপ্রিয় সুর ও ছন্দের এই প্রাচীন ধারা। নবম বার্ষিক সঙ্গীত সম্মেলনে তারই আভাস দিল ‘বন্দিশ মিউজিক ফাউন্ডেশন’। সম্প্রতি শিশির মঞ্চে বসেছিল শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মেহফিল। সহযোগিতায় সোহিনী কর্পোরেশন ও সুব্রত ভট্টাচার্য্য মিউজিক অ্যাকাডেমি। অনুষ্ঠানে গণেশ বন্দনার পাশাপাশি তবলা লহড়া শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। এরপর সরোদে রাগ কেদার পেশ করেন অর্ণব ভট্টাচার্য্য। আলাপ, জোড়, ঝালা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন নবীন প্রজন্মের এই শিল্পী। তবলায় সঙ্গত করেন পণ্ডিত পরিমল চক্রবর্তী। আদিত্য মোহন খান্ডওয়ের কণ্ঠ সঙ্গীত অনবদ্য। প্রথমে রাগ মারু বেহাগ পরিবেশন করেন গোয়ালিয়র ঘরানার এই প্রতিভাবান শিল্পী। তারপর বাহার রাগে তারানা গেয়ে শোনান। অনবদ্য তাঁর উপস্থাপনা। শিল্পীকে তবলা ও হারমোনিয়ামে সহযোগিতা করেন সুদীপ চক্রবর্তী ও গৌরব চট্টোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানের শেষ শিল্পী অয়ন সেনগুপ্ত। সেতারে পরিবেশন করেন রাগ যোগকোষ। তবলায় ছিলেন পণ্ডিত সুব্রত ভট্টাচার্য্য।



