চর্যাপদ থেকে শুরু করে বর্তমান যুগের বাংলা গানের ভাষার আধুনিকীকরণে পালাগান, লোকগান, টপ্পা, ব্রহ্ম সংগীত, অতুলপ্রসাদী, দ্বিজেন্দ্রগীতি, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক, রক, পপ, ফোক— নানারকম গান আমরা পেয়েছি। বিভিন্ন ধারায় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে আবহমান কাল ধরে চলা এই সমস্ত গানে সুরের গতি বদলালেও ভাষার চলন একইরকম রয়েছে। ‘গান আবহমান’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বহমান গানের বিভিন্নতা নিয়ে বাগেশ্রী মিউজিক অ্যাকাডেমি এক সুন্দর গীতিআলেখ্য উপস্থাপন করল। সম্প্রতি তাদের ৩৩তম বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে আইসিসিআর-এর সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ‘শোন রাজকুমারী’, ‘কি মজার নাম হয়েছে বাবু কালচার’, ‘বাজিল কাহার বীণা’, ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের’ ইত্যাদি গান, নাচ ও কবিতায় পরিবেশিত আলেখ্যটি মনোগ্রাহী হয়। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন স্বাতী বন্দ্যোপাধ্যায়। আবৃত্তিতে শ্রীপর্ণা বিশ্বাস ও ভাষ্যপাঠে ছিলেন মৌ গুহ। সংস্থার কর্ণধার ভাস্বতী দত্তর পরিচালনায় ও সহশিল্পীদের পরিবেশনায় ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’ গানটি দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। শর্মিলা পাল পরিচালিত রাগিনী সংগীত অ্যাকাডেমির সদস্যদের নিবেদনে ‘এসো প্রাণ ভরণ’ ও সলিল চৌধুরির ‘পথ হারাবো বলেই এবার’ গানগুলি সকলের ভালো লাগে।



