সংবাদদাতা, বনগাঁ: ডেঙ্গু প্রতিরোধে নজির গড়ল বনগাঁ মহকুমা। গত তিন মাস ধরে এই মহকুমায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য। গত বছরও এই সময়কালের পরিসংখ্যান ছিল উদ্বেগজনক। এ বছর বনগাঁ পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্লকস্তরের কর্মীদের পরিশ্রমের ফলে সাফল্য এসেছে বলে মনে করছে মহকুমা স্বাস্থ্য বিভাগ।
Advertisement
প্রতিবছর শীতের শেষে গরম শুরু হওয়ার পর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। গত কয়েক বছর ধরে উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। সেই তুলনায় এ বছর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। যদিও গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। আক্রান্তের নিরিখে জেলায় প্রথম সারিতে ছিল বনগাঁ মহকুমায় নাম। এ মহকুমার বাগদা, গাইঘাটা ব্লকে একসময় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বনগাঁ পুরসভা এলাকাতেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল উপরের দিকে। গত বছর এ সময় বনগাঁয় প্রায় ১০ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ বছর সে সংখ্যা শূন্য।
মহকুমা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লক ও পুরসভাস্তরে সমন্বয় রেখে কাজ করে এ সাফল্য এসেছে। পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। কোথাও জল জমতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করা হয়েছে। সহকারি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মৃগাঙ্ক সাহারায় বলেন, ‘গত ছ’মাস ধরে বনগাঁ, বাগদা ও গাইঘাটা ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক ও পুরসভা আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ হয়েছে। ভিলেজ রিসোর্স পার্সন ও আশাকর্মীরা ভালো কাজ করেছেন।’
মহকুমা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লক ও পুরসভাস্তরে সমন্বয় রেখে কাজ করে এ সাফল্য এসেছে। পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। কোথাও জল জমতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করা হয়েছে। সহকারি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মৃগাঙ্ক সাহারায় বলেন, ‘গত ছ’মাস ধরে বনগাঁ, বাগদা ও গাইঘাটা ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক ও পুরসভা আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ হয়েছে। ভিলেজ রিসোর্স পার্সন ও আশাকর্মীরা ভালো কাজ করেছেন।’



