Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

নামমাত্র তৈলবীজ ও ডাল কিনেছে মোদি সরকার, নামেই সহায়ক মূল্য ঘোষণা

ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিয়ে যে পরিমাণে কৃষকের থেকে ধান এবং গম কেনা হয়, তার চেয়ে ঢের কম সংগ্রহ করা হয় তৈলবীজ এবং ডাল।

নামমাত্র তৈলবীজ ও ডাল কিনেছে মোদি সরকার, নামেই সহায়ক মূল্য ঘোষণা
  • ১২ জুন, ২০২৫ ১৬:০৬
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিয়ে যে পরিমাণে কৃষকের থেকে ধান এবং গম কেনা হয়, তার চেয়ে ঢের কম সংগ্রহ করা হয় তৈলবীজ এবং ডাল। সরকারি রিপোর্টেই এই তথ্য উঠে এসেছে। শস্যবর্ষে (জুলাই-জুন) রাজ্যে রা঩জ্যে কৃষকের থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়। অর্থাৎ কেনা হয়। ২০২৪-২৫ শস্যবর্ষে মোট ৭৭.৮৬ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ধান ৫২.২৬ মিলিয়ন টন। গম ২৬.২৬ মিলিয়ন টন। সেই হিসেবে ডাল আর তৈলবীজ ক্রয়ের পরিমাণ বলতে গেলে কিছুই নয়। কৃষিমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, ডাল কেনা হয়েছে ৪.৬ মিলিয়ন টন। আর তৈলবীজ ০.৬ মিলিয়ন টন। 

Advertisement

বিদেশ থেকে আমদানি কমিয়ে ডালে স্বনির্ভর হওয়ার ক্ষেত্রে জোর দিয়েছে সরকার। কিন্তু সেভাবে তা কার্যকরই হচ্ছে না। তাই সরকার এবার আগামী চার বছর অড়হর, বিউলি এবং মসুর ডালের যাবতীয় উৎপাদন সংগ্রহ করবে বলে ঠিক করেছে। সম্প্রতি কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, নামেই ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ঘোষণা হয়। আদতে কৃষককের কাছ থেকে ডাল, তৈলবীজ কেনা হয় নামমাত্র। অথচ মোদি সরকার বড় মুখ করে স্রেফ ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের ঘোষণা করে। তাই এবার সামান্য নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র। সরকারি রিপোর্ট মোতাবেক, ২০১৯-২০ সালে কেন্দ্র ডাল কিনেছিল মাত্র ২.৮ মিলিয়ন টন। পরের বছর তা কমে হয় ০.৮১ মিলিয়ন টন। ২০২১-২২ সালে ৩.৩ মিলিয়ন টন। পরের দু বছর যথাক্রমে ২.৮ এবং ০.৬৯ মিলিয়ন টন। ফলে ডালের সংগ্রহের হার মোটেই উল্লেখযোগ্য নয়। মন্ত্রকের মতে, সরকারি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় দেশের প্রায় ৮১ কোটি মানুষকে রেশনে চাল, গমই দেওয়া হয়। সই কারণেই চাল এবং গমের সংগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। আর বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ করতে ডাল এবং তৈলবীজ সংগ্রহ করা হয়। এবার সেই সংগ্রহ বাড়ানো হবে। যাতে বিদেশ থেকে আমদানি কম করতে হয়। এবং কৃষকরাও দাম পায়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ