নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ হয়ে নদীপথে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার সুপারি এদেশে আনা হয়েছিল। এরপর দুই ট্রাক বোঝাই করে সেই সুপারি কানপুরে পাচারের মতলব ছিল। কিন্তু তার আগেই বুধবার দুপুরে ডানকুনিতে প্রিভেনটিভ অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের অফিসারদের হাতে ধরা পড়ে যায় ট্রাক দু’টি। ওই বিপুল পরিমাণ সুপারির স্বপক্ষে কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গ্রেপ্তার করা হয় চারজনকে। ধৃতদের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়। বিচারক তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জেলে গিয়ে অভিযুক্তদের জেরা করার আর্জি জানানো হয়। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। চলতি সপ্তাহেই প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে ধৃতদের জেরা করবেন গোয়েন্দারা। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত সুপারির পরিমাণ ছিল ৪৬ হাজার ৬০০ কিলোগ্রাম।
Advertisement
এদিন আদালতে মামলাটি উঠলে কেন্দ্রীয় ওই তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পুরো ঘটনার পিছনে একটি বড়সড় অপরাধ চক্র জড়িত। বাকিদের খোঁজ চলছে। বিপুল টাকার সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিতেই চোরাপথে ধৃতরা ওই সুপারি কানপুরে পাচার করছিল। এদিন ধৃতদের তরফে আদালতে যে কোনও শর্তে জামিনের আর্জি জানানো হয়। যদিও তাতে জোরালো আপত্তি জানানো হয় তদন্তকারীদের পক্ষ থেকে।



