Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মমতার ফোনেই গলল বরফ, তৃণমূলেই থাকছি, প্রার্থীদের হয়ে করব প্রচারও, বার্তা খগেশ্বরের

দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই খগেশ্বর রায়ের বাড়িতে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কিষান খেত মজদুর ইউনিয়নের জেলা সভাপতি দুলাল দেবনাথ।

মমতার ফোনেই গলল বরফ, তৃণমূলেই থাকছি, প্রার্থীদের হয়ে করব প্রচারও, বার্তা খগেশ্বরের
  • ১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই খগেশ্বর রায়ের বাড়িতে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কিষান খেত মজদুর ইউনিয়নের জেলা সভাপতি দুলাল দেবনাথ। জানা গিয়েছে, তাঁর বাড়িতে আসছেন তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ। পাশাপাশি আসছেন বিদায়ী মন্ত্রী তথা মাল বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী বুলুচিক বরাইকও। ইতিমধ্যেই রাজগঞ্জে তাঁর বাড়িতে এসেছেন তৃণমূলের ময়নাগুড়ির প্রার্থী রামমোহন রায় এবং দলীয় জেলা সহ সভাপতি চন্দন ভৌমিক। সূত্রের খবর, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনেও কথা হয়েছে খগেশ্বরের। এরপরই গলল বরফ। তৃণমূলে আগের মতোই সক্রিয় থাকার বার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন খগেশ্বর। তিনি জানিয়েছেন, গতকাল রাত সাড়ে দশটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন। এরপর আজ, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দলে দলে নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা খগেশ্বরের বাড়িতে আসছেন। 

Advertisement

এদিন দুপুরের দিকে খগেশ্বর সাংবাদিক বৈঠক শুরু করেন। জানান, গতকাল রাতে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়েছে। দিদি বলেছেন, অভিভাবক হয়ে রাজগঞ্জে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। বলেন, আবেগতাড়িত হয়ে বলেছিলাম দলের জেলা চেয়ারম্যানের পদ ছাড়ব। দিদি আমাকে ফোন করায় আমি কৃতজ্ঞ। তৃণমূলেই থাকছি, যা দায়িত্ব দেবেন নেত্রী সেটাই করব। জলপাইগুড়ি আসনের তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাসের হয়েও প্রচার করব। পাশাপাশি রাজগঞ্জে স্বপ্নার হয়েও প্রচারে নামব। বৈঠক শেষে জয় বাংলা স্লোগানও দেন তিনি। এরপরই মান ভাঙতেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের সমর্থনে প্রচারে নেমে পড়েন রাজগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়। শুর করেন মিছিল। বলেন, রাজগঞ্জে এর আগেও বিজেপিকে জিততে দিইনি। এবারও জিততে দেব না। আমাদের দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপও বলেন, খগেশ্বর দা জেলা চেয়ারম্যান থাকছেন। তিনি আমাদের অভিভাবক। 

উল্লেখ্য, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর সেই তালিকায় নাম না থাকায় ইস্তফা দিয়েছিলেন রাজগঞ্জের এই বিদায়ী বিধায়ক। এমনকী জেলার চেয়ারম্যানের পদও ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বদলে রাজগঞ্জে স্বপ্না বর্মণকে তৃণমূল প্রার্থী করার ফলেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। 

সম্পর্কিত সংবাদ