নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের দামাম বেজে গিয়েছে। শুরু হয়ে গিয়েছে প্রার্থীদের প্রচার। এই পর্বে বিধায়ক পদপ্রার্থীকে যেমন ছুটতে হচ্ছে, তেমনি গুরুদায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তথা কাউন্সিলারদের। পাড়ায় পাড়ায় তাঁরাই দলের ‘মুখ’। তাই এই বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের আতশ কাচের তলায় থাকছে কাউন্সিলারদের পারফরম্যান্সও। বিধানসভা ভোটে দলীয় প্রার্থীর হয়ে কোন কাউন্সিলার কেমন কাজ করলেন, কার বুথে কত লিড হল—সবটাই কাটাছেঁড়া করবে দল। এই সময়কালে কাজের উপর নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কাউিন্সিলার আগামী নির্বাচনে টিকিট পাবেন কি না। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তরফে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।
কলকাতা তো বটেই, জেলায় জেলায় ছবিটাও খুব একটা ভিন্ন নয়। ইতিমধ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থীরা যাঁর যাঁর এলাকায় দলীয় কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠক সেরে ফেলছেন। সেখানেই জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে দলীয় বার্তা। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আসা সেই বার্তা যথেষ্ট স্পষ্ট এবং কড়া। প্রার্থীরা তাঁদের কাছে দলের শীর্ষস্তর থেকে আসা ওই বার্তা শুনিয়ে দিচ্ছেন বৈঠকে। সম্প্রতি যাদবপুর থেকে শুরু করে রাসবিহারী কিংবা কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্র, সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই দলীয় বার্তা। বিধানসভা নির্বাচনে প্রত্যেক কাউন্সিলারের পারফরম্যান্স বিচার করা হবে। কোন ওয়ার্ডে কেমন প্রচার হল, দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে কোন কাউন্সিলার কতটা সক্রিয়, সেই ওয়ার্ডের বিভিন্ন বুথ থেকে কতটা লিড এল, এসব তথ্য নিয়ে হবে কাটাছেঁড়া। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেলে চলতি বছরের শেষে কলকাতা সহ একাধিক পুরসভার ভোট হবে। এই ‘পরীক্ষা’য় লেটার মার্কস নিয়ে উতরাতে পারলে মিলবে পুরভোটের টিকিট।