মৃত্যুঞ্জয় কর্মকার, হবিবপুর: ২৬ জানুয়ারি উইলিয়াম কেরির স্মরণে পুনরায় ‘কেরি মেলা’ চালুর দাবিতে সরব হয়েছেন বাসিন্দারা। মালদহ জেলার বামনগোলা ব্লকের মদনাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতের নালাগোলা-ডিটোলহাট রাজ্য সড়কের শালমাহার মোড় থেকে বাম দিকে ২ কিমি দূরে অবস্থিত মদনাবতী গ্রামের মেঘডুমরা দিঘির পাড় এলাকায় ব্রিটিশ আমলের নীলকুঠির ভগ্নাবশেষ আজও ঐতিহ্য বহন করছে। তবে সংস্কারের অভাবে সেগুলি আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে।
Advertisement
ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৭৯৪ সালের ১৫ জুন মদনাবতীতে উইলিয়াম কেরি নীলকুঠির ম্যানেজার হিসেবে যোগদান করেন। এলাকায় একাধিক সমাজসেবামূলক কাজের জন্য অল্পদিনেই তিনি এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। মদনাবতীতেই তিনি একটি ছাপাখানা তৈরি করেন। যা উত্তরবঙ্গের সর্বপ্রথম ছাপাখানা ছিল। এরপর ১৭৯৬ সালে হঠাৎ তাঁর পুত্র পিটার কেরির অজানা জ্বরে মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। পিটার কেরির সমাধি আজও এই গ্রামে রয়েছে। এই স্থানেই একটি সুরঙ্গের নিদর্শন পাওয়া যায়। তা এখন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ছাপাখানাটি যে ঘরে রাখা ছিল সেই ঘরটিও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কেরি সাহেব পাঁচ বছর এই গ্রামে বসবাস করেছেন।
বাসিন্দারা বলেন, ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন কেরি সাহেবের স্মরণসভা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। মদনাবতী উইলিয়াম কেরি উদযাপন কমিটি এই উপলক্ষ্যে মেলার আয়োজন করত। বাসিন্দারাই এই মেলা পরিচালনা করতেন। মেলা ও স্মরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বহু মানুষ ভিড় জমাতেন। বিভিন্ন সংস্কৃতিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান সহ বিশাল মেলা এক মিলন ক্ষেত্রে পরিণত হতো। তবে বেশ কয়েক বছর ধরে সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ায় এই মেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় শিক্ষক তথা মেলা কমিটির সম্পাদক অরুণকান্তি বালা বলেন, মেলায় তৎকালীন অনেক কবি সাহিত্যিকরা কেরি সাহেবের সম্পর্কে জানতে এখানে আসতেন। গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় এই মেলা হতো। নীলকুঠির এই ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার জন্য সরকারি উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে। গৌড় রায় নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এখনও বাইরে থেকে প্রচুর পর্যটকর নীলকুঠির দেখার জন্য গ্রামে আসেন। তবে সংস্কারের অভাবে এটি বিলুপ্ত হতে দেখে সকলেই দুঃখ প্রকাশ করেন। ২৬ জানুয়ারি সরকারিভাবে উইলিয়াম কেরির স্মরণ উপলক্ষ্যে মেলা পুনরায় চালুর দাবি জানাচ্ছি।
বাসিন্দারা বলেন, ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন কেরি সাহেবের স্মরণসভা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। মদনাবতী উইলিয়াম কেরি উদযাপন কমিটি এই উপলক্ষ্যে মেলার আয়োজন করত। বাসিন্দারাই এই মেলা পরিচালনা করতেন। মেলা ও স্মরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বহু মানুষ ভিড় জমাতেন। বিভিন্ন সংস্কৃতিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান সহ বিশাল মেলা এক মিলন ক্ষেত্রে পরিণত হতো। তবে বেশ কয়েক বছর ধরে সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ায় এই মেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় শিক্ষক তথা মেলা কমিটির সম্পাদক অরুণকান্তি বালা বলেন, মেলায় তৎকালীন অনেক কবি সাহিত্যিকরা কেরি সাহেবের সম্পর্কে জানতে এখানে আসতেন। গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় এই মেলা হতো। নীলকুঠির এই ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার জন্য সরকারি উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে। গৌড় রায় নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এখনও বাইরে থেকে প্রচুর পর্যটকর নীলকুঠির দেখার জন্য গ্রামে আসেন। তবে সংস্কারের অভাবে এটি বিলুপ্ত হতে দেখে সকলেই দুঃখ প্রকাশ করেন। ২৬ জানুয়ারি সরকারিভাবে উইলিয়াম কেরির স্মরণ উপলক্ষ্যে মেলা পুনরায় চালুর দাবি জানাচ্ছি।



