নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের গ্রামীণ লাইব্রেরিগুলিতে গ্রন্থাগারিক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। সোমবার বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী জানান, বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যে ৬৩২ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীদেরই নিয়োগ করা হয়েছে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়। এজন্য কাউকে টাকা দিতে হয়নি।
Advertisement
তবে রাজ্যের গ্রন্থাগারগুলিতে এখনও প্রচুর শূন্যপদ রয়েছে বলে মন্ত্রী স্বীকার করেন। তিনি জানান, রাজ্যের বিভিন্ন গ্রন্থাগারে মোট শূন্যপদ ৪২৫১টি। ১০৬৩টি শূন্যপদ রয়েছে জনশিক্ষা প্রসারের বিভিন্ন অফিসে। গ্রন্থাগার ও জনশিক্ষা প্রসার মিলিয়ে মোট শূন্যপদের সংখ্যা ৫৩২২। রাজ্য মন্ত্রিসভা কয়েকবছর আগে গ্রন্থাগারগুলিতে ৭৩৮ জনের নিয়োগের অনুমোদন দেয়। শূন্যপদগুলিতে নিয়োগ শুরু হয় জেলার ভিত্তিতে। মন্ত্রী জানান, পূর্ব বর্ধমান, কোচবিহার, হুগলি ও মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ১৭৭টি শূন্যপদের একটিতেও নিয়োগ করা যায়নি। নিয়োগের ফাইল ফেরত এসেছে। কেন তা হয়েছে, সেই ব্যাপারে মন্ত্রী কিছু জানাননি। কলকাতায় কমিটি গঠন না-হওয়ায় এখনও কোনও নিয়োগ হয়নি।
মৎস্য দপ্তরের প্রশ্নের জবাবে এদিন বিভাগীয় মন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী জানান, ‘সমুদ্রসাথী’ প্রকল্পে আর্থিক অনুদানের জন্য মোট ৫০,১৬৫ জন আবেদন করেছেন। আবেদনকারীবা প্রকৃত মৎস্যজীবী কি না সেটা দপ্তর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সবকিছু যাচাই করার পরই এই অনুদান দেওয়া হবে। প্রকল্পটি গতবছর রাজ্য বাজেটে ঘোষিত। যে-সময় মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারেন না, সেইসময়ের জন্য এই প্রকল্পে মাসে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথা।
মৎস্যমন্ত্রী এদিন আরও জানান, নিজস্ব মাছের চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গ এখন স্বয়ম্ভর। তবে কিছু ব্যবসায়ী ভিন রাজ্য থেকে এখনও মাছ আমদানি করছেন। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভিন রাজ্যেও মাছ সরবরাহ করা হচ্ছে। মৎস্য বীজ উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে দপ্তর। সুফল বাংলার স্টল থেকে মাছ বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মাছ প্রথম দফায় বিক্রি করা হবে ৩৫টি স্টল মারফত। সংখ্যাটি পরে বাড়িয়ে করা হবে ১০০।
মৎস্য দপ্তরের প্রশ্নের জবাবে এদিন বিভাগীয় মন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী জানান, ‘সমুদ্রসাথী’ প্রকল্পে আর্থিক অনুদানের জন্য মোট ৫০,১৬৫ জন আবেদন করেছেন। আবেদনকারীবা প্রকৃত মৎস্যজীবী কি না সেটা দপ্তর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সবকিছু যাচাই করার পরই এই অনুদান দেওয়া হবে। প্রকল্পটি গতবছর রাজ্য বাজেটে ঘোষিত। যে-সময় মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারেন না, সেইসময়ের জন্য এই প্রকল্পে মাসে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথা।
মৎস্যমন্ত্রী এদিন আরও জানান, নিজস্ব মাছের চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গ এখন স্বয়ম্ভর। তবে কিছু ব্যবসায়ী ভিন রাজ্য থেকে এখনও মাছ আমদানি করছেন। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভিন রাজ্যেও মাছ সরবরাহ করা হচ্ছে। মৎস্য বীজ উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে দপ্তর। সুফল বাংলার স্টল থেকে মাছ বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মাছ প্রথম দফায় বিক্রি করা হবে ৩৫টি স্টল মারফত। সংখ্যাটি পরে বাড়িয়ে করা হবে ১০০।



