Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৭ ও ১০ তারিখ জননেত্রীর সভা হাবড়া ও বারাসতে, শক্তিপ্রদর্শনে তৈরি হচ্ছে তৃণমূল

ভোট যত এগোচ্ছে, ততই সংগঠন চাঙা করা এবং জনমতের হাওয়া নিজেদের পক্ষে টানার লড়াই জোরদার করছে তৃণমূল। সেই লক্ষ্যেই ৭ এপ্রিল হাবড়া এবং ১০ এপ্রিল বারাসতে পরপর দুটি সভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

৭ ও ১০ তারিখ জননেত্রীর সভা হাবড়া ও বারাসতে, শক্তিপ্রদর্শনে তৈরি হচ্ছে তৃণমূল
  • ৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ভোট যত এগোচ্ছে, ততই সংগঠন চাঙা করা এবং জনমতের হাওয়া নিজেদের পক্ষে টানার লড়াই জোরদার করছে তৃণমূল। সেই লক্ষ্যেই ৭ এপ্রিল হাবড়া এবং ১০ এপ্রিল বারাসতে পরপর দুটি সভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর ২৪ পরগনার দুই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
হাবড়ার বাণীপুর মাঠে ৭ এপ্রিলের সভাকে ঘিরে প্রশাসনিক আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই পরিদর্শন সেরে ফেলেছেন। নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে মঞ্চ নির্মাণ, সবদিক খতিয়ে দেখা হয়েছে। একইভাবে ১০ এপ্রিল বারাসতের কাছারি মাঠেও প্রস্তুতি এগোচ্ছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সফরের মূল লক্ষ্য দ্বিমুখী। একদিকে সংগঠনে ঝাঁকুনি দেওয়া। ওইসঙ্গে জনমত দেখিয়ে বিরোধীদের ঘরে কাঁপুনি ধরানো। হাবড়ায় দলের নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি সংগঠনের ভিত মজবুত করতে সাহায্য করতে পারে বলেই মনে করছে তৃণমূল। নিচুতলার কর্মীদের সক্রিয় করা, ভাঙন রুখে ঐক্যবদ্ধ বার্তা দেওয়া—এই বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। বারাসতের সভার রাজনৈতিক গুরুত্বও কম নয়। জেলায় দীর্ঘদিন তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপি এখানে সংগঠন বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়েছে। ফলে ১০ এপ্রিলের সভাকে শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হিসাবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূলের লক্ষ্য, জনসমাগমের মাধ্যমে সেই বার্তা দেওয়া—মাঠ এখনো তাদের দখলেই রয়েছে। এই দুই সভায় উন্নয়ন ইস্যুকেই সামনে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প—স্বাস্থ্যসাথী, যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন—এসবের সাফল্যের কথা তুলে ধরা হতে পারে। কেন্দ্রীয়ভাবে টাকা আটকে রাখা, রাজ্যের প্রাপ্য না দেওয়া—এই অভিযোগগুলিকে সামনে রেখে বিজেপিকে চাপে রাখার কৌশল নেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে উঠতে পারে এই সভাগুলিতে। এছাড়া মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও গুরুত্ব পেতে চলেছে। নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতায় বিপর্যস্ত বহু মতুয়া পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। কারণ, জেলায় একাধিক আসনে এই সম্প্রদায়ের ভোট নির্ণায়ক ভূমিকা নেয় বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। এ নিয়ে হাবড়ার তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, দিদির এদিনের সভায় ঝড় উঠবে। আমরা অপেক্ষায় রয়েছি নেত্রীর বার্তার দিকে। 

Advertisement

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ