Bartaman Logo
২৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘আমাদের সঙ্গে খেলা এত সহজ নয়’, বিহার নির্বাচনের ফল নিয়ে বিজেপিকে জবাব তৃণমূলের

বিহার জয় নিশ্চিত হতেই বিজেপি বাংলা দখলের হুঙ্কার দিয়েছে। পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি তৃণমূল। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য সামনে এনে জোড়াফুল শিবির দাবি করেছে, ‘খেলার আগে আমরা পিচটা দেখে নিই। আমাদের সঙ্গে খেলা এত সহজ নয়।’

‘আমাদের সঙ্গে খেলা এত সহজ নয়’, বিহার নির্বাচনের ফল নিয়ে বিজেপিকে জবাব তৃণমূলের
  • ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিহার জয় নিশ্চিত হতেই বিজেপি বাংলা দখলের হুঙ্কার দিয়েছে। পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি তৃণমূল। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য সামনে এনে জোড়াফুল শিবির দাবি করেছে, ‘খেলার আগে আমরা পিচটা দেখে নিই। আমাদের সঙ্গে খেলা এত সহজ নয়।’

Advertisement

বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। এই আবহে শুক্রবার বিহারে ভোটের ফলাফল কী হয়, সেদিকে নজর ছিল সমস্ত রাজনৈতিক দলের। এনডিএ শিবিরের বিপুল জয় নিশ্চিত হতেই পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে কী হতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিস্তর চর্চা শুরু হয়ে যায়। বিহারের এই ফলাফল বাংলার নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে বা আদৌ ফেলবে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মত উঠে আসে। বঙ্গ বিজেপি স্বভাবতই প্রতিবেশী রাজ্যের এই ফলে উচ্ছ্বসিত। এই আবহেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং দাবি করেন, ‘রোহিঙ্গা, বাংলাদেশিদের সরকার আছে বাংলায়। বিজেপি বিহার জিতেছে। এবার বাংলা জিতবে।’
গিরিরাজ সিংকে পাল্টা দিতে গিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, ‘বাংলার মানুষ পরপর তিনবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। যাঁরা ভোট দিয়ে রাজ্যের সরকার নির্বাচিত করলেন, সেই বাংলার মানুষকেই রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি বলে অপমান করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ২০২৬ সালের ভোটে এই বাংলার মানুষই রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি শব্দ ব্যবহার নিয়ে বিজেপিকে উপযুক্ত জবাব দেবে।’ তৃণমূলের তরফে বলা হচ্ছে, বিহারের সঙ্গে বাংলার তুলনা চলে না। কারণ দুই রাজ্যের মধ্যে চরিত্রগত একাধিক পার্থক্য রয়েছে। জেলার গঠন, বিন্যাস ও ভোটারদের সম্পর্কিত তথ্য ভিন্ন ভিন্ন। বিহারে জাতপাত অন্যতম ইস্যু হলেও বাংলায় তা খাটবে না। বাংলাকে ‘মিনি ভারতবর্ষ’ বলা হয়। সব ধর্ম, জাতি, সম্প্রদায়ের সহাবস্থান। সেই সঙ্গে বাংলায় চলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। ধারাবাহিক কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াই করেই কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানে এগিয়ে রয়েছে বাংলা। এসআইআর প্রক্রিয়ার ‘চক্রান্ত’ও তারা উড়িয়ে দিচ্ছে না। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় বিজেপি এর আগের ভোটগুলিতে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আগামী দিনে প্রত্যাখ্যাতই থাকবে।’ মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কথায়, ‘বাংলার মানুষকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাহারা দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধায়। তাই তৃণমূল আছে, তৃণমূলই থাকবে। বাংলার মাটি আমরাই বুঝি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ