Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

একই বিষয়ের শিক্ষককে মাধ্যমিকে পরিদর্শকের ডিউটি নয়, কড়া পর্ষদ

যে বিষয়ের পরীক্ষা, সেই শিক্ষকদের আর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইনভিজিলেটর হিসেবে রাখা যাবে না। এমনকি ‘নন পার্টিসিপেটিং’ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলার জন্য রাজ্যে সব জেলার ডিআইদের নির্দেশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের।

একই বিষয়ের শিক্ষককে মাধ্যমিকে  পরিদর্শকের ডিউটি নয়, কড়া পর্ষদ
  • ২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: যে বিষয়ের পরীক্ষা, সেই শিক্ষকদের আর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইনভিজিলেটর হিসেবে রাখা যাবে না। এমনকি ‘নন পার্টিসিপেটিং’ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলার জন্য রাজ্যে সব জেলার ডিআইদের নির্দেশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের। যেসব স্কুলে মাধ্যমিকের সিট পড়ে না, সেগুলিকেই নন-পার্টিসিপেটিং স্কুল বলে। পরিদর্শকের অভাব থাকলে অনেক সময় এই স্কুলগুলি থেকে শিক্ষক নিয়ে মাধ্যমিকের কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

Advertisement

বৃহস্পতিবার মালদহ জেলা সফরে আসেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষার সংশোধিত নিয়মাবলি নিয়ে দুটি পর্যায়ে বৈঠক করেছেন। রামানুজ বলেন, গতবছর নন পার্টিসিপেটিং স্কুল থেকে যে শিক্ষক-শিক্ষিকা পাঠানো হয়েছিল, অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে তাঁদের মধ্যে থেকে অঙ্ক পরীক্ষার দিন সেই বিষয়ের শিক্ষককে ডিউটি দেওয়া হয়েছে। এবছর সেটা করা যাবে না। বিদ্যালয় পরিদর্শকদের এজন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে, নতুন নিয়ম ঘিরে সমস্যার কথাও উঠে আসছে। অনেক স্কুলে প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষক থাকেন না। পদার্থবিদ্যার শিক্ষককে অনেক স্কুলে অঙ্কের ক্লাস নিতে হয়। সেক্ষেত্রে ইনভিজিলেটর নিয়ে বেশি বাছবিচার করলে গাঁ উজাড় হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষকদের একাংশ।
সুষ্ঠুভাবে যাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়, সেজন্য এদিন সকাল থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেন পর্ষদ সভাপতি। প্রথমে মালদহ জেলা প্রশাসনিক ভবনে জেলাশাসক, পুলিশ এবং সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টের আধিকারিদের নিয়ে আলোচনা করেন। দুপুরে ইংলিশবাজার শহরের বাঁশবাড়ি উমেশচন্দ্র বাস্তুহারা স্কুলে আরেকটি বৈঠক করেছেন তিনি।
রামানুজ জানান, এবছর মালদহ জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের থেকে আট হাজার বেশি। এবছর দুটি কমিয়ে জেলায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ১২০ করা হয়েছে। জেলায় এবার ১৯টি সেন্টার ও ১০১টি ভেন্যু রয়েছে। সবমিলিয়ে মোট ১২০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১৯ জন সেন্টার সেক্রেটারি ও ১০১ জন ভেন্যু সুপারভাইজারকে নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পড়ুয়াদের টেস্ট পেপার পেতে যাতে দেরি না-হয়, সেজন্য এবার সরাসরি স্কুলের হাতে তুলে দেওয়া হবে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে পর্ষদ সূত্রে খবর।

সম্পর্কিত সংবাদ