


তেহরান: এবার আগে থেকে নাম ঘোষণা করে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক তেল শোধনাগার ও গ্যাস ভাণ্ডারে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান। বুধবার ইরানের বুশেহর প্রদেশের দক্ষিণ পারসে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস ভাণ্ডারে বোমাবর্ষণ করে ইজরায়েলের যুদ্ধবিমান। কাতার ও ইরানের সীমান্তে ওই গ্যাস ভাণ্ডার অবস্থিত। এরপরই তেহরান জানিয়ে দেয়, পাঁচটি জায়গায় তারা হামলা চালাবে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের সামরেফ তেল শোধনাগার ও জুবেইল পেট্রোকেমিকেল কমপ্লেক্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আল-হাসান গ্যাস ফিল্ড, কাতারের রাস লাফান শোধনাগার এবং মেসাইদ পেট্রোকেমিকেল কমপ্লেক্স। শুধু হুমকি নয়, সেটা করেও দেখায় ইরান। রাতেই কাতারের রাস লাফান শোধনাগার এবং রিয়াধে মিসাইল হামলা করে ইরান। রাস লাফানে আগুন লেগে যায় বলে খবর। আর রিয়াধের মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়ে সৌদি সেনা। যদিও খবর মিলেছে, মিসাইলের ধ্বংসাবশেষের ঘায়ে আহত হয়েছেন ৪ সৌদি নাগরিক।
তাত্পর্যপূর্ণভাবে দক্ষিণ পারসে হামলার জন্য ইজরায়েলের কড়া নিন্দা করেছিল কাতার। কাতারের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাজিদ-আল-আনসারি জানিয়েছিলেন, ওই গ্যাস ভাণ্ডার কাতারের নর্থ ফিল্ডের অংশ। এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে এমন হামলা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। তাঁর বক্তব্য ছিল, এই হামলার ফলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি এই এলাকার জনগণের সুরক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্যও বিঘ্নিত হবে। মুখে না বললেও ইরান যে প্রত্যঘাত করবে তা আঁচ করেছিল কাতার। শেষপর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। এদিকে, বুধবার পারস্য উপসাগরে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান।