নয়াদিল্লি: ন্যূনতম বেতন বেঁধে দিলে কেউ হয়তো পরিচারিকাদের আর কাজেই নেবে না। বৃহস্পতিবার গৃহ পরিচারিকাদের নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা বাতিল করে এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ জানায়, এক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যকে আইন সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া যায় না। এদিন ট্রেড ইউনিয়ন নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেয় শীর্ষ আদালত। এবিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ট্রেড ইউনিয়নের জন্য দেশে কত শিল্প ইউনিট বন্ধ হয়েছে? বাস্তব বিষয়ে অবগত থাকতে হবে। এই ঝান্ডা ইউনিয়নের জন্য দেশের একাধিক শিল্প সংস্থা বন্ধ হয়েছে। ওরা কাজ করতেই চায় না। ইউনিয়নের নেতাদের জন্যই শিল্প ক্ষেত্রে উন্নয়ন আটকে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শোষণ তো আছেই। তবে এই সমস্যা সমাধানের উপায়ও রয়েছে। দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।’
এদিন শীর্ষ আদালতে গৃহ পরিচারিকাদের ন্যূনতম বেতন নির্দিষ্ট করার আরজি জানায় পেন থোজিলালারগল সংগম। গৃহ পরিচারিকাদের এই সংগঠনের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী রাজু রামচন্দ্রন। সিঙ্গাপুর সহ বিভিন্ন দেশের কথা তুলে ধরেন তিনি। রাজু জানান, অসংগঠিত কাজের ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি সমস্যার মুখে পড়েন পরিচারিকারা। এজন্য ন্যূনতম বেতন বেঁধে দেওয়ার আরজি জানান তিনি। সবকিছু শোনার পর পত্রপাঠ মামলা খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ন্যূনতম বেতন বেধে দিলেই কেউ হয়তো আর কাজেই নেবে না। প্রত্যেকটি বাড়ি নিয়ে মামলা করবে ইউনিয়নগুলি।’ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, ‘অসংগঠিত কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা আইন একাধিক সমস্যা মিটিয়েছে।’



