Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

সন্ত্রাসবাদকে উপড়ে ফেলতে ভারতের নতুন নীতি ‘প্রহার’

সন্ত্রাসবাদ দমনে আরও কঠোর ভারত। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সামনে আনল ভারতের প্রথম জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী নীতি ‘প্রহার’।

সন্ত্রাসবাদকে উপড়ে ফেলতে ভারতের নতুন নীতি ‘প্রহার’
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সন্ত্রাসবাদ দমনে আরও কঠোর ভারত। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সামনে আনল ভারতের প্রথম জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী নীতি ‘প্রহার’। জঙ্গি নেটওয়ার্ক, ড্রোনের মাধ্যমে চোরাচালান, ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে মৌলবাদের প্রসার, ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক মদতের মতো বিষয়গুলি কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তার উল্লেখ রয়েছে এখানে।

Advertisement

‘প্রহার’-এ সীমান্তের ওপার থেকে জঙ্গি কার্যকলাপে মদতকে প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আল কায়দা, আইসিসের মতো জঙ্গি সংগঠন লাগাতার ভারতীয় যুবকদের মগজধোলাই করে নিজেদের চক্রে শামিল করতে করতে চাইছে। সন্ত্রাসবাদী মডিউল ও সংগঠিত অপরাধচক্রগুলি ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। বিশেষ করে রসদ ও অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে। বাড়ছে ড্রোন, ডার্ক ওয়েব, এনক্রিপটেড মেসেজিং ও ক্রিপ্টো কারেন্সির ব্যবহার। জঙ্গিদের উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে এই নয়া নীতিতে। 
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী হামলা রুখতে এই প্রহার তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সংস্থার মধ্যে রিয়েল টাইমে তথ্যের আদান-প্রদান করতে পারবে। জঙ্গিদের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার নেটওয়ার্ককে ধ্বংস করা হবে। ফলে সন্ত্রাসবাদের অর্থের জোগান বন্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের মগজধোলাই ও রিক্রুটমেন্টের প্রক্রিয়াকে বন্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে জঙ্গিবাদের গোটা ইকো সিস্টেমই মুখ থুবড়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। 
‘প্রহার’-এ উল্লেখ করা হয়েছে, বড়োসড়ো জঙ্গি হামলার মোকাবিলা করবে এনএসজি ও তার তদন্তের দায়িত্বে থাকবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। জঙ্গি হামলার মোকাবিলার ক্ষেত্রে বাহিনীগুলির মধ্যে সমন্বয়ে জোর দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তবে সন্ত্রাস দমনের এই অভিযানে যাতে কোনোভাবেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয় সেবিষয়েও নজর দেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ