Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

কোটা কালচারে ক্রমশ ডুবছে ভারতীয় ক্রিকেট

বলুন তো কেন ভারতীয় দলের সব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হবে আমেদাবাদে? ২০২৩ সালে ভারত-পাকিস্তান মেগা ম্যাচ এবং ফাইনাল। আইপিএলের ফাইনাল। চলতি টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার সিক্সের ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ এবং ফাইনাল।

কোটা কালচারে ক্রমশ ডুবছে ভারতীয় ক্রিকেট
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, চেন্নাই: বলুন তো কেন ভারতীয় দলের সব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হবে আমেদাবাদে? ২০২৩ সালে ভারত-পাকিস্তান মেগা ম্যাচ এবং ফাইনাল। আইপিএলের ফাইনাল। চলতি টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার সিক্সের ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ এবং ফাইনাল।

Advertisement

অঘোষিত এক তুঘলকি কায়দায় চলছে বিসিসিআই। বোর্ড কর্তা থেকে কোচ, ক্রিকেটার থেকে সাপোর্ট স্টাফ, সব কিছু ঠিক করে দিচ্ছেন একজন। তিনি জয় শাহ। তাঁর সম্মতি ছাড়া ভারতীয় ক্রিকেটের একটা পাতা নড়ে না। সর্বত্র কোটা প্রথা চলছে। চুপিসারে ঘুণ ধরে গেছে পুরো সিস্টেমে। টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারতের হার তার শুরু মাত্র।
মনে প্রশ্ন জাগে না হঠাৎ কী হল ভারতীয় ব্যাটারদের? অভিষেক শর্মা বিশ্বকাপের আগে দলকে ভালো সার্ভিস দিয়েছেন। কিন্তু প্রথম তিন ম্যাচে শূন্যের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও খুব একটা ছন্দে দেখাল না তাঁকে। তিলক ভার্মার রোল কী সেটা তিনিও জানেন না। ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাকের কাজ কী? কঠিন সময়ে ব্যাটারদের কীভাবে ফর্মে ফেরানো যায় সেই পথ দেখানো। যদি তিনি না-ই জানেন, তাহলে শেখাবেন কী করে? কান পাতলেই শোনা যায়, কোটাক নাকি কোটার কোচ। তাঁর কাজ হলো, গম্ভীরের উপর নজরদারি চালানো এবং দলের ভিতরের খবর প্রভুদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আমেদাবাদে হারার পর মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সীতাংশু কোটাক। অভিষেকের অফ ফর্ম নিয়ে তাঁর যুক্তি, ‘ওকে এই পরিস্থিতিতে বেশি জ্ঞান দিলে হিতে বিপরীত হবে। তাই বিশেষ কিছু বলছি না। ওকে চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য অভিষেককে দ্রুত রানে ফেরানো।’
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারার কারণ হিসাবে ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন সীতাংশু কোটাক। তাহলে তিনিও তো দায় এড়াতে পারেন না। তিনিও সমানভাবে দায়ী। আসলে মধ্যমেধার সাপোর্ট স্টাফ দিয়ে ভারতের মতো হাই-প্রোফাইল দলের কোনো লাভ হয় না। শুধু ভিড় বাড়ানো। রায়ান টেন ডয়েসকাটেকে দেখেও দুঃখ হয়। বেচারা নিপাট ভদ্রলোক। কিন্তু তিনিও হচ্ছেন ‘বলি কা বখরা’।
এর পর ভারত হয়তো জিম্বাবোয়েকে হারাবে। তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক, উঠবে শেষ চারেও। কিন্তু এই সত্যগুলো চাপা থাকবে না। তাই সময় থাকতেই কোটা কালচার বন্ধ করার কথা ভাবতে হবে। কারণ দলটার নাম টিম ইন্ডিয়া। ১৪০ কোটির স্বপ্ন যেখানে জড়িয়ে।

সম্পর্কিত সংবাদ