Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

‘ভারত অন্যের কাছে আত্মসম্মান বিসর্জন দেবে না’, তোপ পুতিনের

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শৈত্য কাটছে। নতুন করে আলোচনার সলতে পাকতে শুরু করেছে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে। সেই আবহেই এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশকে তোপ দেগে নয়াদিল্লিকে কাছে টানার সচেতন প্রচেষ্টা চালালেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

‘ভারত অন্যের কাছে আত্মসম্মান  বিসর্জন দেবে না’, তোপ পুতিনের
  • ৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মস্কো: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শৈত্য কাটছে। নতুন করে আলোচনার সলতে পাকতে শুরু করেছে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে। সেই আবহেই এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশকে তোপ দেগে নয়াদিল্লিকে কাছে টানার সচেতন প্রচেষ্টা চালালেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধের জন্য ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে ওয়াশিংটন। সেপ্রসঙ্গেই পুতিনের আক্রমণ, ‘এধরনের দাবিদাওয়ার কাছে নয়াদিল্লি মাথা নত করবে না। অন্যের কাছে আত্মসম্মান বিসর্জন দেবে না ভারত!’ রাশিয়ার সোচিতে ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবের এক প্লেনারি সেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘বন্ধু’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতেও দেখা যায় রুশ প্রেসিডেন্টকে। মোদিকে ‘প্রাজ্ঞ নেতা’ বলেও মন্তব্য করেন। পাশাপাশি সেই সোভিয়েত আমল থেকেই ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সুসম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাসের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি।

Advertisement

পুতিনের দাবি, সম্পূর্ণভাবে আর্থিক হিসেব নিকেশের কথা মাথায় রেখে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনে ভারত। এর নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই। ভারত যদি রাশিয়ার সেই সরবরাহ গ্রহণ করতে না চায় তাহলে নিশ্চিতভাবেই ক্ষতির মুখে পড়বে। কতটা ক্ষতি, তা নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ কেউ বলেন, ভারতের ক্ষতির পরিমাণ হতে পারে ৯০০ কোটি থেকে এক হাজার কোটি ডলার। আর ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ না করে তাহলে তাদের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। সেক্ষেত্রেও ক্ষতির পরিমাণ একই। পাশাপাশি এর ফলে দেশের অন্দরে রাজনৈতিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হতে পারে। তাহলে (ভারত) কেন (রুশ তেল কেনা থেকে) মুখ ঘোরাবে? ভারতের মানুষ নিশ্চিতভাবেই আমাকে বিশ্বাস করেন। দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে তাঁদের। ভারতের মানুষ কোনওদিনই অন্যের কাছে আত্মসম্মান বিসর্জন দেবেন না। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিনি। তিনি কখনও এরকম পদক্ষেপ করবেন না। ভারতকে সাজা দিতে আমেরিকা যে শুল্ক চাপিয়েছে, রাশিয়ার থেকে তেল কেনার মাধ্যমে সেই বোঝা দূর হবে। একই সঙ্গে একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে ভারতের মর্যাদাও অক্ষুণ্ণ থাকবে। 
ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে পুতিন বলেন, বাণিজ্যিক সহযোগীদের উপর শুল্কের বিশাল বোঝা চাপানোর ফলে গোটা বিশ্বেই মূল্যবৃদ্ধি সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে খোদ মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভও সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হবে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ