Bartaman Logo
৮ জুলাই, ২০২৬

আইসিডিএস মামলা: সুপারভাইজার নিয়োগে বাধা নেই রাজ্যের, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

মামলা চললেও আইসিডিএসর ‘সুপারভাইজার’ পদে নিয়োগে কোনও বাধা নেই। রাজ্য সরকার চাইলে নিয়োগ করতেই পারে। পশ্চিমবঙ্গের আইসিডিএস মামলায় মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

আইসিডিএস মামলা: সুপারভাইজার নিয়োগে বাধা নেই রাজ্যের, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মামলা চললেও আইসিডিএসর ‘সুপারভাইজার’ পদে নিয়োগে কোনও বাধা নেই। রাজ্য সরকার চাইলে নিয়োগ করতেই পারে। পশ্চিমবঙ্গের আইসিডিএস মামলায় মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি পঙ্কজ মিথাল এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চে এদিন ছিল শুনানি। যেখানে বিবাদীর পক্ষ থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখার আবেদন করা হয়। কিন্তু রাজ্যের আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী চান স্থগিতাদেশ। তিনি বলেন, ‘তা নাহলে রাজ্যে নিয়োগ সমস্যা বাড়বে এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুরা বঞ্চিত হবে। কাজ আটকে যাবে।’ যদিও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। তবে আদালত জানিয়েছে, মামলা চলুক। এর মধ্যে রাজ্য‌ চাইলে নিয়োগ করতেই পারে। 

Advertisement

আইসিডিএসে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ নিয়মে বদলের ফলে জটিলতা। যার জেরে মামলা। আগে কেন্দ্রের গাইডলাইন ছিল, শূন্যপদের ৭৫ শতাংশ নিয়োগ হবে সরাসরি (ডায়রেক্ট রিক্রুটমেন্ট)। বাকি ২৫ শতাংশ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জন্য পদোন্নতিতে সুপারভাইজার পদ। কোনও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর ১০ বছরের অভিজ্ঞতা এবং মাধ্যমিক পাশ হলে সুপারভাইজার পদে পদোন্নতির জন্য আবেদন করতে পারতেন। সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ছিল স্নাতক পাশ। মোট শূন্যপদ ৩ হাজার ৩৭৬। 
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গাইডলাইন পরিবর্তন করে কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়মে বদল আনা হচ্ছে। শূন্যপদের ৫০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ। ৫০ শতাংশ পদোন্নতি। যাতে আপত্তি করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের আইনজীবীকে সমর্থন করে সরাসরি নিয়োগ প্যানেলে থাকা ঋতু টোপ্পোর আ‌ইনজীবী পার্থসারথি দেববর্মন এদিন আদালতে বলেন, ‘২০১৯ সালে রাজ্য সরকার নিয়োগ বিধি তৈরি করেছে। যেখানে বলা আছে ২০১৫ সালের আগে থাকা শূন্যপদে পুরনো নিয়মেই নিয়োগ। অর্থাৎ ৭৫:২৫ অনুপাতে। ২০১৫ সালের পরে যদি কোনও পদ খালি হয়, তার নিয়োগ অনুপাত ৫০:৫০।’ 
মামলাকারীদের আর এক আইনজীবী আশিসকুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্ট খালি থাকা সব পদেই ৫০:৫০ আনুপাতিক হারে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে এসেছে রাজ্য সরকার। এদিন তারই শুনানিতে বিবাদী পাপিয়া ঘোষাল মাইতি সহ অন্যদের নোটিস ইস্যু করল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী এক মাসের বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দেওয়া আবার নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতেও বাধা দেয়নি বেঞ্চ। আগামী ২৮ অক্টোবর পরবর্তী শুনানি হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ