Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘একটি ভোট থাকলেও আমিই জিতব’, ভবানীপুর নিয়ে প্রত্যয়ী মমতা

সুনির্দিষ্ট ছকে বাদ দেওয়া হচ্ছে যোগ্য ভোটারদের নাম। গেরুয়া শিবিরের নির্দেশে এই কাজ চালাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শনিবার প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকে এই অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসক দল।

‘একটি ভোট থাকলেও আমিই জিতব’, ভবানীপুর নিয়ে প্রত্যয়ী মমতা
  • ৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুনির্দিষ্ট ছকে বাদ দেওয়া হচ্ছে যোগ্য ভোটারদের নাম। গেরুয়া শিবিরের নির্দেশে এই কাজ চালাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শনিবার প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকে এই অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসক দল। এই অভিযোগ কতটা সঠিক, তা বোঝাতে এবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের উদাহরণ তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে দোল ও হোলির মিলন উৎসবে ভবানীপুর কেন্দ্রের যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার তথ্য তুলে ধরেন তিনি। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেন, ‘বিজেপি যতই চক্রান্ত করুক, একটি ভোট থাকলেও ভবানীপুরে আমিই জিতব।’ 

Advertisement

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এটা একটি ছোটো কেন্দ্র। যেখানে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার। আগেই প্রায় ৪৪ হাজার ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি তালিকায় ১৪ হাজার। প্রায় দু’হাজার নতুন ভোটারের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়নি। তাহলে কতজন বাকি রইল?’ 
বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে নির্বাচন কমিশন যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বলে ফের অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কেন? মমতা বলেন, ‘ভীতুরা রাজনৈতিক ময়দানে সরাসরি লড়াই করতে পারছে না। সেই কারণে পক্ষপাতদুষ্ট এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চাইছে। আমি এর নিন্দা করছি।’ রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ইডি-সিবিআইয়ের মতো নির্বাচন কমিশনকেও মোদি সরকার হাতিয়ার করেছে বলে তোপ দাগেন মমতা। এই ইস্যুতে তাঁর সংযোজন, ‘তোমরা মানুষকে বিশ্বাস করো না। তোমরা এজেন্সিকে বিশ্বাস করো। তাই এজেন্সিকে দিয়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নাও। আর আমরা মানুষকে বিশ্বাস করি। মানুষই তোমাদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে জবাব দেবে।’   
দোলের আবহে এদিন মিলন উৎসবের মঞ্চ থেকে সম্প্রীতির বার্তাও দেন মমতা। বলেন, ‘এ রাজ্যের সমস্ত স্তরের মানুষের একসঙ্গে থাকার ঐতিহ্য রয়েছে। তা অটুট থাকবে। হাজার চেষ্টা করলেও বাংলার সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ