নৃত্যশিল্পী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করে আজ বলিউডের প্রতিভাবান অভিনেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন তিনি। সম্প্রতি আরিয়ান খান পরিচালিত ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’ সিরিজে নজর কেড়েছেন। তিনি রাঘব জুয়েল। এক সাক্ষাৎকারে এই জার্নি নিয়ে জানালেন নানা কথা।
নৃত্যশিল্পী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করে আজ বলিউডের প্রতিভাবান অভিনেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন তিনি। সম্প্রতি আরিয়ান খান পরিচালিত ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’ সিরিজে নজর কেড়েছেন। তিনি রাঘব জুয়েল। এক সাক্ষাৎকারে এই জার্নি নিয়ে জানালেন নানা কথা।
• পিছনের দিকে ফিরে দেখলে কোন সময়টা সবচেয়ে কঠিন বলে মনে হয়?
কঠিন সময় তো এখন শুরু হয়েছে। কারণ এখন আমি কাজ শুরু করেছি। আমার দোকান সবেমাত্র চলতে শুরু করেছে। এখন আমায় অনেক কাজ করতে হবে। আর সত্যি বলতে আমি আমার গোটা জার্নিটা খুবই উপভোগ করে এসেছি। আমি যখন শুধুমাত্র ডান্সার ছিলাম, প্রায় ১৫ জনের সঙ্গে একটা ঘরে থাকতাম। একটা বড়াপাও খেয়ে দিন কাটাতাম। এসব কিছুর মধ্যে আমি আনন্দ আর রোমাঞ্চ খুঁজে পেতাম। জীবন কঠিন হলেই তো মজা।
• নৃত্যশিল্পী থেকে অভিনেতা— কেরিয়ারে এই বদল সহজ ছিল?
এখন আমাকে সকলে অভিনেতা হিসেবেই দেখেন। নিজের ইমেজ পুরোপুরি বদলে অন্য ইমেজে আসা খুবই কঠিন ছিল। তবে এটা যে করতে পেরেছি, সেজন্য গর্ববোধ করি। এই জার্নি সবেমাত্র শুরু হয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার হতে চাই আমি। এটাই আমার স্বপ্ন। এর থেকে কম কিছু ভাবতে পারি না। তার জন্য অনেক কাজ, অনেক পরিশ্রম করতে হবে। আমাকে সকলে ডান্সার, কোরিওগ্রাফার, অ্যাঙ্কর হিসেবে গ্রহণ করেছেন। প্রচুর ভালোবাসা দিয়েছেন। এখন অভিনেতা হিসেবে আমাকে সকলে দ্বিগুণ ভালোবাসা দিচ্ছেন। সত্যি আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান।
পরিচালক আরিয়ান খান আসলে কেমন?
দুর্দান্ত আর অত্যন্ত সাহসী। ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’ সিরিজের মাধ্যমে ও খুবই সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। একজন পরিচালকের নিজের দুনিয়া খুঁজতে অনেক বছর লেগে যায়। আরিয়ান শুরু থেকেই জানত যে, ও কী চায়।
• এই সিরিজে ‘নেপোটিজম’-এর বিষয় রয়েছে। বহিরাগত হিসেবে আপনি নিজে কতটা এর শিকার?
সত্যি বলতে আমি কখনও এসবকে গুরুত্ব দিইনি। এ নিয়ে কখনও কোনও অভিযোগ করিনি। শুধু নিজের কাজ করে গিয়েছি। ‘নেপোটিজম’ ইস্যু আমার বস্তাপচা বলে মনে হয়। আপনার প্রতিভা থাকলে, আপনি পরিশ্রম করলে, অবশ্যই সুযোগ পাবেন।
• কোনও আপশোস আছে?
না, আমার কোনও আপশোস নেই। আমি মনে করি এখনও পর্যন্ত কেরিয়ারে ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেলিভিশনে আমার যখন খুব নামডাক, তখন আমি টিভি ছেড়ে দিয়েছিলাম। অনেকে আমাকে তখন বলেছিলেন যে আমি বড় ভুল করছি। আমি কারও কথা শুনিনি। আজ আমি তা প্রমাণ করতে পেরেছি।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই