Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘শুধু নায়ক হওয়ার জন্য আসিনি’

সহজ গল্প গভীর প্রেমের ছবি ‘ধড়ক ২’-এ শেষবার সিদ্ধান্তের পারফরম্যান্স প্রশংসিত হয়েছিল। এবার ‘দো দিওয়ানে সহর মে’ ছবিতেও তাঁর কাজ ভালো লাগছে দর্শকের। ‘সকলের ভালো লাগছে, এটা জেনে সত্যি আমাদের ভালো লাগছে। এই ছবির শ্যুটিং, কস্টিউম, লেন্স সবকিছুই খুব আলাদা। আমাদের ছবিটা সেই অমল পালেকরের সময়ের মতো সহজ সরল’, বললেন সিদ্ধান্ত।

‘শুধু নায়ক  হওয়ার জন্য  আসিনি’
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সদ্য মুক্তি পেয়েছে প্রেমের ছবি ‘দো দিওয়ানে সহর মে’। সেখানে জুটি বেঁধেছেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী এবং ম্রুণাল ঠাকুর। এক আলাপচারিতায় সিদ্ধান্ত শেয়ার করলেন নানা কথা।

Advertisement

সহজ গল্প
গভীর প্রেমের ছবি ‘ধড়ক ২’-এ শেষবার সিদ্ধান্তের পারফরম্যান্স প্রশংসিত হয়েছিল। এবার ‘দো দিওয়ানে সহর মে’ ছবিতেও তাঁর কাজ ভালো লাগছে দর্শকের। ‘সকলের ভালো লাগছে, এটা জেনে সত্যি আমাদের ভালো লাগছে। এই ছবির শ্যুটিং, কস্টিউম, লেন্স সবকিছুই খুব আলাদা। আমাদের ছবিটা সেই অমল পালেকরের সময়ের মতো সহজ সরল’, বললেন সিদ্ধান্ত।
নিরাপত্তাহীনতা
এই ছবিতে নিজের নিরাপত্তাহীনতার সঙ্গে লড়াই করতে দেখা গিয়েছে সিদ্ধান্তকে। ব্যক্তিগত জীবনে কখনও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে? তাঁর কথায়, ‘কেরিয়ারের শুরুর দিকে অনেক রকম নিরাপত্তাহীনতা ছিল। ভাষা, নিজের কোঁকড়া চুল, চোখ, আরও অনেক কিছু নিয়ে ইনসিকিওর ছিলাম। স্কুলে বন্ধুরা ম্যাগি, নুডলস বলে ডাকত। চোখ ছোট ছিল বলে অনেকে নেপালি বলত। আর ইংরেজিও খুব একটা পরিষ্কার ছিল না। তখন আত্মবিশ্বাস কোথাও না কোথাও নড়বড়ে হয়ে যেত। ধীরে ধীরে আমি সেগুলোকে কাটিয়ে উঠেছি।’ ইদানীং বলিউডে নায়কের সংজ্ঞা বদল হয়েছে। কিন্তু একসময় সিদ্ধান্তকে নিজের চেহারার কারণে নাকি অডিশন থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল। স্পষ্ট বললেন, ‘কাস্টিং ডিরেক্টররা বলতেন, কোঁকড়া চুল থাকলে নায়ক হওয়া যায় না।’ সেসব দিন মনে পড়লে খারাপই লাগে তাঁর। 
নায়ক নন, অভিনেতা
ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক কিছু বদলেছে। সেসব বদলের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত ছবি নির্বাচন করেন কীভাবে? অভিনেতা বলেন, ‘এখন এমন সব প্রজেক্ট আমাদের মতো অভিনেতাদের কথা ভেবে তৈরি হচ্ছে, এটাই ভালো লাগছে। তবে শুধু নায়ক হওয়ার জন্য আমি আসিনি। অভিনয়ের মাধ্যমে মানুষের মনে প্রভাব ফেলতে চাই। সময়ের ধারায় নিজের একটা ছাপ রাখতে চাই। তাই সে অনুযায়ী ছবি নির্বাচন করি। আর এমন সব কাজ পাচ্ছি বলে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি। যেমন আর একটা দারুণ প্রজেক্ট ভি শান্তারাম-এর বায়োপিক। সেটা নিয়ে এখন ব্যস্ত।’
বন্ধুত্ব মানে বিশ্বাস 
সহশিল্পীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি হয়? নাকি তাঁরা শুধুমাত্র সহকর্মী হয়ে থেকে যান? হেসে সিদ্ধান্তের জবাব, ‘বন্ধুত্ব হওয়া খুব জরুরি। বন্ধুত্ব হলে বিশ্বাস জন্মায়। আর বিশ্বাস থাকলে অভিনয়ের আদান-প্রদান খুব সহজ হয়ে যায়। আমার কেরিয়ারের শুরু থেকেই যাদের সঙ্গে  কাজ করেছি, তাঁদের সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছে। রণবীর, আলিয়া, দীপিকা, বিজয় (ভার্মা), অনন্যা, ঈশান— এদের সবার সঙ্গেই আমার বন্ধুত্ব হয়েছে। বন্ধুত্ব ভালো হলে পর্দায় রসায়ন তখন বাস্তব মনে হয়। আমার কাছে সততাই আসল কথা। আমরা এখানে সবাই মিলে একটা সিনেমা বানাতে এসেছি। তাই আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো হওয়া জরুরি।’


দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই

সম্পর্কিত সংবাদ