


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশন অন্তত উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে করতে চাইছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত শিক্ষক নিয়োগ শেষ করতে বলেছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে, নবম-দশমের নিয়োগে আরও দেরি হবে বলেই স্বীকার করছে কমিশন। তবে, দ্রুত ইন্টারভিউ শেষ করে চলতি মাসের মধ্যে অন্তত উচ্চ মাধ্যমিকের প্যানেল প্রকাশকেই টার্গেট করেছে তারা। অন্যদিকে, শিক্ষাকর্মী নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার আবেদনের চূড়ান্ত সময়সীমা ছিল সোমবার। এদিনই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে।
জানা যাচ্ছে, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় সল্টলেকে এসএসসি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও নেওয়া হবে ইন্টারভিউ। এতদিন শুধুমাত্র পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে ইন্টারভিউ চলছিল। সল্টলেকে ইন্টারভিউ শুরু হলে কাজে গতি আসবে। ১৫ ডিসেম্বর থেকেই এখানে ইন্টারভিউ শুরু হয়ে যাবে বলে খবর। দু’-একদিনের মধ্যে নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়ে যাবে বলে খবর। তবে, এই স্তরে নিয়োগ প্রক্রিয়া নতুন বছরের আগে শুরু করা যাবে না বলেই জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আদালতের কাছে বাড়তি সময়ও চাইতে হবে কমিশনকে।
এদিকে, শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষার আবেদনে প্রথমদিকে সাড়া খুব জোরালো ছিল না বলেই জানা গিয়েছিল। প্রথমে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় থাকলেও তার মধ্যে ন’লক্ষের আশপাশে আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ, ২০১৬ সালের নিয়োগে মোট সংখ্যাটা ছিল ১৮ লক্ষাধিক। এতটা কম আবেদনের ফলে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ায় কমিশন। তবে, এদিন এক আধিকারিক জানিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে আবেদনের ঢল নেমেছে। ফলে, রবিবার রাতে ওয়েবসাইট পুরোপুরি বসে যায়। তা সোমবারও দিনের বড়ো একটা সময় ধরে অপরিবর্তিত ছিল। তাই প্রার্থীদের একাংশের দাবিতে সময় বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে বলে সেই আধিকারিকের দাবি। ফলে, সব মিলিয়ে আবেদনের সংখ্যা আগের পরীক্ষার মতোই হবে বলে তাঁদের আশা।