Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গোদারা গ্যাংয়ের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে এরাজ্যেও, দাবি রাজস্থান পুলিশের

রাজস্থানের সম্পন্ন ব্যবসায়ী রমেশ রুলানিয়া খুনে জড়িত রাওয়াতরাম স্বামী ওরফে রোহিত গোদারা গ্যাংয়ের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। অপরাধের পর গা-ঢাকা দেওয়ার জন্য মূলত লজিস্টিকাল সাপোর্ট দিচ্ছে এখানকার নেটওয়ার্ক।

গোদারা গ্যাংয়ের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে এরাজ্যেও, দাবি রাজস্থান পুলিশের
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজস্থানের সম্পন্ন ব্যবসায়ী রমেশ রুলানিয়া খুনে জড়িত রাওয়াতরাম স্বামী ওরফে রোহিত গোদারা গ্যাংয়ের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। অপরাধের পর গা-ঢাকা দেওয়ার জন্য মূলত লজিস্টিকাল সাপোর্ট দিচ্ছে এখানকার নেটওয়ার্ক। গ্যাংয়ের শার্প শ্যুটাররা কয়েকদিন কাটিয়ে আবার চলে যাচ্ছে অন্য রাজ্যে। ব্যবসায়ী রমেশ খুনের ঘটনায় ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই তথ্য পেয়েছে রাজস্থান পুলিশ। ফুলবাগান থেকে ধরা পড়া তিন শার্প শ্যুটার এখানে কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, সেই বিষয়ে বিশদে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

জুলাই মাসে পাটনার হাসপাতালে এক গ্যাংস্টারকে খুনের অভিযোগে আনন্দপুর এলাকা থেকে ধরা পড়ে বিহারের সুপারি কিলার তৌসিফ ও তার গ্যাং। একটি গেস্ট  হাউসে এসে তারা এসে উঠেছিল। তার আগে নিউটাউনে অভিজাত আবাসনে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল তৌসিফের গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্য। ২০২১ সালের জুন মাসে পাজ্ঞাবের ভুল্লার গ্যাং আশ্রয় নিয়েছিল এই নিউটাউনেই। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় জয়পাল  সিং ভুল্লার ও তার সহযোগী যশপ্রীত সিং ওরফে জাস্যির। দুটি ঘটনাতেই পুলিশের হাতে তথ্য আসে, ভিন রাজ্যের গ্যাংস্টাররা শেল্টার নিচ্ছে কলকাতায়। তাদের থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য আলাদা মেম্বার রয়েছে।  রমেশ রুলানি খুনের কেসে ফুলবাগান থেকে তিন শার্প শ্যুটার ধরা পড়ার জানা যাচ্ছে, কলকাতায় তারা আশ্রয় নিতেই এসেছিল। 
রাজস্থান পুলিশ তদন্তে নেমে জেনেছে,রোহিত গোদারা সদস্য ছড়িয়ে রয়েছে সারা দেশ জুড়ে।  বাদ নেই পশ্চিমবঙ্গ। তবে এখানে থাকা এই গ্যাংয়ের সদস্যরা কোনও অপারেশন করতে যাচ্ছে না।  তারা লজিস্টিকাল সাপোর্টের ব্যবস্থা করছে। অর্থাৎ গোদারা গ্যাংয়ের কোনও সদস্য ভিন রাজ্যে অপারেশেন করে এই রাজ্যে আসার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করছে এখানকার শাগরেদরা। অভিযুক্তদের থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে  লজিস্টিকাল সার্পোটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা। সারাবছর ধরে ফ্ল্যাটের ভাড়া গোনা হচ্ছে। রাজস্থান পুলিশ জেনেছে, নিউটাউন ও কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় গোদারা গ্যাংয়ের হয়ে লজিস্টিকাল সাপোর্টের কাজ করছে অনেকেই। রাজ্য থেকে ধরা পড়া তিনজন এই গ্যাংয়ের এক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। যাতে এখানে থাকা সহ গাড়ির ব্যবস্থাও হয়ে যায়। এখানে কারা এই গ্যাংয়ের লজিস্টিকাল সাপোর্ট দিচ্ছে, সেটাই জেরা করে জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ