Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

গোয়া অগ্নিকাণ্ড: দিল্লির হাসপাতাল থেকে ধৃত নাইট ক্লাবের অংশীদার

গোয়ার আরপোরায় নাইট ক্লাবে আগুন লাগার ঘটনায় অন্যতম অংশীদারকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হল। ধৃতের নাম অজয় গুপ্তা।

গোয়া অগ্নিকাণ্ড: দিল্লির হাসপাতাল থেকে ধৃত নাইট ক্লাবের অংশীদার
  • ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: গোয়ার আরপোরায় নাইট ক্লাবে আগুন লাগার ঘটনায় অন্যতম অংশীদারকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হল। ধৃতের নাম অজয় গুপ্তা। ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’ নামে ওই নাইট ক্লাবে ২৫ জনের মৃত্যুর পরই ক্লাবের দুই প্রধান মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরার পাশাপাশি অজয়কেও খুঁজছিল গোয়া পুলিশ। কিন্তু তাঁর খোঁজ না মেলায় লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়। শেষ পর্যন্ত দিল্লির লাজপতনগরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সন্ধান মেলে অজয়ের। সেখানে তিনি মেরুদণ্ডের চোট লাগার কথা বলে ভর্তি হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, নাইট ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে একের পর এক মৃত্যুর খবর আসতেই গোয়া ছেড়ে পালান অজয়। গ্রেফতারি এড়াতেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। এদিন তাঁকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে নিয়ে আসা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে অজয়কে গোয়া পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তবে, আগুন লাগার ঘটনায় তাঁর কোনও ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছেন অজয়। ক্রাইম ব্রাঞ্চে ঢোকার আগে তিনি জানান, তিনি ক্লাবের শুধুমাত্র একজন ‘অংশীদার’। এর আগেও নাইট ক্লাবের চার ম্যানেজার সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছিল গোয়া পুলিশ।

Advertisement

এদিকে, থাইল্যান্ড থেকেই আগাম জামিন চেয়ে দিল্লির আদালতে আবেদন করেছেন সৌরভ ও গৌরব লুথরা। তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ‘ব্লু-কর্নার নোটিশ’ জারি করা হয়েছে। দেশে ফিরলেই তাঁদের গ্রেফতার করা হতে পারে বুঝতে পেরেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন লুথরা ভাইরা। আবেদনে তাঁরা দাবি করেছেন, নাইট ক্লাবে আগুন লাগার ফলে তাঁরাও ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছেন। এছাড়া যখন আগুন লেগেছিল, তখন তাঁদের কেউ ক্লাবে উপস্থিত ছিলেন না। ক্লাবের দৈনন্দিন কাজের সঙ্গেও তাঁরা যুক্ত নয়। তাঁদের কোনওভাবেই ঘটনার জন্য দায়ী করা যায় না। তাই তাঁদের দেশে ফিরতে দেওয়ার পাশাপাশি আগাম জামিন মঞ্জুর করা হোক। যদিও আদালত এদিন তাঁদের আবেদনে সাড়া দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
এর মধ্যেই গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত বুধবার জানিয়েছেন, পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত সব ধরনের পরিকাঠামোকে অগ্নিসুরক্ষা বিধি মেনে চলতে হবে। যদি কোনও হোটেল, রিসর্ট বা নাইটক্লাব বিধি না মানে, তাহলে সেটির লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হবে। এদিন উত্তর ও দক্ষিণ গোয়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সাওয়ান্ত। বৈঠকের পর তিনি জানান, সরকার ফায়ার সেফটি অডিট কমিটি তৈরি করেছে। তারা সমস্ত পরিকাঠামো পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দেবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ