দুবাই: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহারণের প্রস্তুতি শুরু করে দিল ভারত। আর সেই লক্ষ্যে ব্রঙ্কো টেস্ট হল ক্রিকেটারদের। ফিটনেস কোচ অ্যাড্রিয়ান লে রু’র তত্ত্বাবধানে শুক্রবার ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেন প্রত্যেকে। রীতিমতো চনমনে মেজাজেই ছিল সূর্যকুমার যাদব-ব্রিগেড।
দুবাই: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহারণের প্রস্তুতি শুরু করে দিল ভারত। আর সেই লক্ষ্যে ব্রঙ্কো টেস্ট হল ক্রিকেটারদের। ফিটনেস কোচ অ্যাড্রিয়ান লে রু’র তত্ত্বাবধানে শুক্রবার ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেন প্রত্যেকে। রীতিমতো চনমনে মেজাজেই ছিল সূর্যকুমার যাদব-ব্রিগেড।
এদিন, বিকেল নাগাদ আইসিসি অ্যাকাডেমিতে আসে টিম ইন্ডিয়া। তারকাদের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন সমর্থকরা। টিমবাস থেকে হার্দিক পান্ডিয়া, কুলদীপ যাদবরা নামতেই ওঠে জয়ধ্বনি। শুভমান গিলকে দেখা যায় ভক্তদের দাবিতে সাড়া দিতে। তবে সবচেয়ে বেশি গর্জন বরাদ্দ ছিল সঞ্জু স্যামসনের জন্য। কিপার-ব্যাটারকে দেখতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত ক্রিকেটপ্রেমীরা।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে হেলায় জিতেছে ভারত। সূর্যরা কার্যত হাসতে হাসতে পকেটে পুরেছেন পয়েন্ট। কিন্তু সেই জয়ে একেবারেই পরীক্ষিত হয়নি ভারতের ব্যাটিং। চড়ুইভাতির মেজাজে অভিষেক শর্মা চালিয়ে খেলেছিলেন। তিনি আউট হওয়ার পর গিল এবং সূর্য দলকে জিতিয়ে ফেরেন। কিন্তু সেই জয়ে স্যামসনের বা তিলক ভার্মার ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে ধাঁধার নিষ্পত্তি হয়নি। তবে এটা স্পষ্ট যে, ‘ফিনিশার’ জিতেশ শর্মার থেকে সঞ্জুর উপরই আস্থা বেশি টিম ম্যানেজমেন্টের।
মুশকিল হল, সুনীল গাভাসকরের মতো অনেকেই মনে করেন যে প্রথম তিনের মধ্যে নামানো দরকার স্যামসনকে। পরের দিকে তিনি অতটা কার্যকর নন। পরিসংখ্যানেও তা প্রতিফলিত। তিলকের ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য। কিন্তু এশিয়া কাপের দলে গিলের অন্তর্ভুক্তিতে ঘেঁটে গিয়েছে ব্যাটিং অর্ডার। ওপেনিং থেকে সরতে হয়েছে স্যামসনকে। মিডল অর্ডারে নামতে হবে তাঁকে। আমিরশাহির বিরুদ্ধে তিন নম্বরে এসেছিলেন সূর্য। পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও তা ঘটলে, চার ও পাঁচেই সম্ভবত দেখা যাবে তিলক ও সঞ্জুকে। অবশ্য টি-২০ ফরম্যাটে ওপেনার ছাড়া কারও ব্যাটিং পজিশনই চূড়ান্ত থাকে না। পরিস্থিতি অনুসারে তা বদলাতেই পারে।
আমিরশাহির বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের নায়ক ছিলেন কুলদীপ যাদব। বাঁ-হাতি স্পিনার ৪ উইকেট নেন। চায়নাম্যানের জাদুর সামনে অসহায় দেখায় বিপক্ষ ব্যাটারদের। কোন বল কোনদিকে ঘুরবে, কতটা ঘুরবে, তা বোঝা যাচ্ছিল না। এমনকী কমেন্ট্রি বক্সে উপস্থিত ওয়াসিম আক্রামকে পর্যন্ত মুগ্ধ দেখায়। কুলদীপের হাত থেকে বল বোঝা যাচ্ছে না বলে জানান পাক কিংবদন্তি। কোনও সন্দেহ নেই, তাঁকে কেন্দ্র করেই সলমান আগা বাহিনীকে হারানোর ছক কষছেন কোচ গৌতম গম্ভীর। পাশাপাশি ভরসা থাকছে বরুণ চক্রবর্তীর উপরেও। এই দুই রিস্ট স্পিনারই হতে পারেন তুরূপের তাস। কুলদীপের মতো বরুণকে সামলানোও পাক ব্যাটারদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। তৃতীয় স্পিনার হলেন অক্ষর প্যাটেল। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে তাঁকে পাক ম্যাচেও ব্যবহার করতে পারেন ক্যাপ্টেন সূর্য। আভাস যা মিলছে, তাতে ভারতীয় দলে কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অলরাউন্ডার শিবম দুবে ৩ উইকেট নিয়ে নিজের জায়গা পাকা করে ফেলেছেন। ফলে, অর্শদীপদের অপেক্ষা করতেই হবে।