রান্নার গ্যাসের দাম ফের বাড়ল। প্রায় হাজার টাকা ছুঁতে চলেছে! এবার তো রান্না ছেড়ে ছাতু-মুড়ি খেয়ে থাকতে হবে! কেন্দ্রীয় সরকার তো এক পয়সা দেয় না, উলটে গ্যাসের ভরতুকি নেই বললেই চলে। দিদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়িয়েছেন, সেই টাকাই কিছুটা সুরাহা দেবে।
ইতি সাহা গৃহস্থ, মানিকতলা
আজ পর্যন্ত তো ১৫ লক্ষ টাকা ব্যাংকে ঢুকল না। আর গ্যাসের দাম ১০০০ ছুঁতে চলেছে। তার মানে যুদ্ধ চলতে থাকলে আরও দাম বাড়াবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বেড়েছে, এইটুকুই স্বস্তি। যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তাতে বাজার খরচ দিন দিন কমাতে হচ্ছে। তার উপর গ্যাসের দাম আবার বাড়ল! মানুষ যাবে কোথায়? খাবে কী?
দুর্গা রায় কাপড় বিক্রেতা, হাতিবাগান মার্কেট
মাসে হাজার টাকা। কোনো ফ্যামিলি বড়ো হলে মাসে দু’টি গ্যাসের সিলিন্ডার লাগে, অর্থাৎ ২০০০ টাকা! এটা কি ফাজলামো হচ্ছে! যুদ্ধ হচ্ছে বলে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিল। এবার পেট্রল-ডিজেলের দামও বাড়তে পারে। যুদ্ধের অজুহাতে একবার দাম বেড়ে গেলে, আর কি কেউ কমাবে? রান্নার গ্যাসে নামমাত্র ভরতুকি দেয়। দিদি মাসে মাসে টাকা দিচ্ছেন বলে ওরা বড়ো বড়ো ডায়লগ মারে! দিদির টাকা দিয়ে তো খানিকটা হলেও সংসার সামলানো যায়।
বিমলা সামন্ত
সবজি বিক্রেতা, নেতাজিনগর
সংসার খরচ বেড়ে গিয়েছে। আনাজপাতির দাম আর কমবে না। চাল-ডাল-চিনি কোনো কিছুর দাম আর কম নেই। রান্নার গ্যাসের দাম একধাক্কায় ৬০ টাকা বাড়িয়ে দিল। গরিবের সংসার চলবে কী করে? কিছুটা হলেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সুরাহা দিচ্ছে। এই টাকা দিয়ে কোনো কোনো মাসে কিছুটা খরচ সামলাতে পারি।
রানু সাঁপুই গড়িয়া আতাবাগান
দিদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেয়। আর বিজেপি শুধু মিথ্যা কথা বলে। ‘আচ্ছে দিন’-এর ১৫ লক্ষ টাকা তো পেলাম না। উলটে সাধারণ মানুষকে আরও নিংড়ে নিচ্ছে। যুদ্ধের অজুহাত দিয়ে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিল। ১৯ টাকা ভরতুকিতে কী হয়!
শিপ্রা চৌধুরী
ব্রহ্মপুর সাউথ এন্ড
গ্যাসের দাম একধাক্কায় ৬০ টাকা বাড়িয়ে দিল! ওনাকে (মোদিকে) তো কিনে খেতে হয় না।
তাই গরিবের মর্ম বুঝবেন না। কিন্তু মমতাদি জানেন আমাদের কষ্ট। তাই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন। কোনো কোনো মাসে স্বামীর সমস্যা হলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় খরচ সামলাই। গ্যাসের দাম বাড়ল, এবার পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়াবে। আনাজপাতির দাম আরও বাড়বে। গরিবের কথা এরা ভাবে না।
রিংকি লোধ পরিচারিকা, পাইকপাড়া
যুদ্ধের অজুহাতে গাসের দাম বাড়িয়ে দিল। যুদ্ধ শেষ হলে কমাবে তো? নাকি আবার পরের ভোটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে! দিকে দিকে লাইন পড়ছে গ্যাসের দোকানে। গ্যাস মিলছে না। তাহলে কি আবার স্টক করছে সরকার?
আশা রায় গৃহবধূ, শ্যামবাজার
আগে গ্যাস ও কেরোসিন, দু’টি দিয়ে রান্নার কাজ সামলানো যেত। একটা গ্যাসের সিলিন্ডারে মাস দেড়েক চলে যেত। এখন তো কেরোসিন পাই না। পুরোটাই গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। একটা সিলিন্ডার এক মাসও চলে না। মাসে ২০০০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনলে খাব কী? কেন্দ্র শুষে নিচ্ছে আমাদের।
শম্পা মুখোপাধ্যায় বিউটিশিয়ান, বাগমারি