


সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ট্রাক্টরে করে শহরের আবর্জনা ফেলা হয়েছে পুকুরে। এর প্রতিবাদে শনিবার জঙ্গিপুর শহরের ৯নম্বর ওয়ার্ডের মহাবীরতলায় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখালেন। তাঁদের ক্ষোভের মুখে পড়ে পুরকর্মীরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ডাম্পিং গ্রাউন্ড ভরে যাওয়ায় জঙ্গিপুর শহরে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। শহরে রাস্তার ধারে, বিভিন্ন মোড়ে ক্রমশ আবর্জনার স্তূপ জমে চলেছে। সেই আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দূষণের পাশাপাশি এলাকায় মশামাছির উৎপাত বাড়ছে। নতুন ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জন্য এখনও জমি মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে আবর্জনা জঙ্গিপুর শহরের একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, ওই এলাকায় কয়েকদিন আগেই আবর্জনা ফেলা হয়েছে। এদিন সেই আবর্জনা আর্থমুভার দিয়ে পুঁতে ফেলার কাজ চলছিল। নতুন করে আবর্জনা ফেলা হয়নি। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জন্য জমির খোঁজ চলছে। খুব তাড়াতাড়ি সমস্যা মিটে যাবে।
এদিন সকালে জঙ্গিপুর সদর ফেরিঘাট লাগোয়া মহাবীরতলায় আর্থমুভার দিয়ে আবর্জনার স্তূপ সরানো হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে খবর যায়, ওই আবর্জনা আর্থমুভার দিয়ে কিছুটা পিছিয়ে খালি জায়গায় নতুন আবর্জনা ফেলার কাজ চলছে। এরপরই এলাকার মানুষ পুরকর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভের জেরে পুরকর্মীরা আর্থমুভার ফেলে পালিয়ে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ট্রাক্টরে করে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। তা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে উঠছে। গৃহবধূ সুপ্রীতি সূত্রধর বলেন, এই এলাকা ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় বেশ কয়েকহাজার মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। এভাবে আবর্জনা ফেলা চলতে থাকলে কীভাবে থাকব?
কার্তিক মণ্ডল আবার বলেন, এত দুর্গন্ধে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়বে। বাড়িতে রোগী রয়েছে। তাঁর কীরকম অসুবিধা হচ্ছে-বলে বোঝাতে পারব না। পুরসভা তাড়াতাড়ি আবর্জনা সরানোর ব্যবস্থা করুক। শহরের রাস্তায় যত্রতত্র আবর্জনা জমে আছে। পুরসভার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।