Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নীল-সাদা বেলুন উড়িয়ে গঙ্গাসাগর মেলার সূচনা, অগ্নিকাণ্ডের জেরে বাড়তি সতর্কতা

পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠেছে সাগরতট। শনিবার বিকেলে নীল-সাদা বেলুন উড়িয়ে ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মীনা সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

নীল-সাদা বেলুন উড়িয়ে গঙ্গাসাগর মেলার  সূচনা, অগ্নিকাণ্ডের জেরে বাড়তি সতর্কতা
  • ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠেছে সাগরতট। শনিবার বিকেলে নীল-সাদা বেলুন উড়িয়ে ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মীনা সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সাগরের মেলা অফিসে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মেলার পাশাপাশি এদিন থেকেই সক্রিয় করা হয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত প্রশাসনিক কন্ট্রোল রুমটিও। উদ্বোধনের সঙ্গেই এদিন থেকে সরকারিভাবে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। মেলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কয়েক হাজার পুলিশকর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের ডিউটি এদিনই শুরু হয়েছে। মন্ত্রীর কথায়, এবারের মেলা যাতে নির্বিঘ্নে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে সম্পন্ন হয়, তার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। পবিত্র স্নান এবং কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে ভিন রাজ্য থেকেও ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন।

Advertisement

এদিকে, শুক্রবারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর আরও বেশি সতর্ক প্রশাসন। প্রতিটি বৈদ্যুতিক তার ও সংযোগ আবারও ভালো করে পরীক্ষা করা হয়েছে। ফের এমন দুর্ঘটনা যাতে না হয়, সে জন্য সুরক্ষার উপর বাড়তি জোর দিয়েছেন আধিকারিকরা। বিভিন্ন স্থানে আরও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র আনা হয়েছে। পুড়ে যাওয়া তাঁবু ও অস্থায়ী হোগলা পাতার ছাউনি নতুন করে তৈরি করা চলছে। শনিবার রাত বা রবিবার সকালে মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

সম্পর্কিত সংবাদ