নয়াদিল্লি: ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রটি প্রকাশ করত অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেড (এজেএল)। সোনিয়া ও রাহুল গান্ধীর হয়ে ওই সংস্থার দু’হাজার কোটির সম্পত্তি হাতাতে চেয়েছিল কংগ্রেস। বুধবার দিল্লির বিশেষ আদালতে এসংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এমনই দাবি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
এদিন কেন্দ্রীয় এজেন্সির হয়ে আদালতে সওয়াল করেন অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু। তাঁর দাবি, চক্রান্ত করেই ইয়ং ইন্ডিয়ান নামে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়েছিল। তাতে ৭৬ শতাংশ শেয়ার ছিল সোনিয়া ও রাহুলের। ওই সংস্থার মাধ্যমে এজেএলের দু’হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের পরিকল্পনা ছিল। তাই ঘুরিয়ে কংগ্রেস ওই সংস্থাকে ৯০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল। ওই ঋণের বদলে এজেএলকে দখল করে বিপুল সম্পত্তির হাতানোর পরিকল্পনা করেছিল কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ন্যাশনাল হেরাল্ড আর্থিক তছরূপ মামলায় নিয়মিত শুনানি চলছে। এই মামলায় সোনিয়া ও রাহুলকে অভিযুক্তদের তালিকায় রাখা হয়েছে। এছাড়া, নাম রয়েছে কংগ্রেস নেতা স্যাম পিত্রোদা, সুমন দুবে ও অন্যান্যদের। এর আগে ইডি জানিয়েছিল, গান্ধীরা ১৪২ কোটি বেআইনি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন। এদিন ইডির পক্ষ থেকে বলা হয়, এজেএলের নামে বহু ভুয়ো লেনদেন করেছিলেন একাধিক সিনিয়র নেতা। অর্থাৎ লেনদেন হয়েছে শুধু খাতায় কলমে। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনের টাকাও ঘুরপথে এজেএলে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। সবটাই চলত শীর্ষ কংগ্রেস নেতাদের অঙ্গুলিহেলনেই। ইডির দাবি, ২০১৫ সালে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসে সোনিয়া ও রাহুলের হাতেই। তাঁরাই একমাত্র সুবিধাভোগী ছিলেন। পাশাপাশি, আরও কিছু তথ্যপ্রমাণ পেলে কংগ্রেস দলের নামও অভিযুক্ত তালিকায় জোড়া হবে বলে আদালতে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।