Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উচ্চ প্রাথমিকে ১২৪১ শিক্ষক পদপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চতায়, ৩০ মার্চ কোর্টে হাজিরা শিক্ষাসচিব, কমিশনারদের

স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে উচ্চ প্রাথমিকে ১২৪১ জন শিক্ষক পদপ্রার্থীকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ে তা না-হওয়ায় শিক্ষাসচিব, স্কুলশিক্ষা কমিশনার এবং কমিশনের চেয়ারম্যানকে ৩০ মার্চ সশরীরে তলব করেছে হাইকোর্ট।

উচ্চ প্রাথমিকে ১২৪১ শিক্ষক পদপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চতায়, ৩০ মার্চ কোর্টে হাজিরা শিক্ষাসচিব, কমিশনারদের
  • ১৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে উচ্চ প্রাথমিকে ১২৪১ জন শিক্ষক পদপ্রার্থীকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ে তা না-হওয়ায় শিক্ষাসচিব, স্কুলশিক্ষা কমিশনার এবং কমিশনের চেয়ারম্যানকে ৩০ মার্চ সশরীরে তলব করেছে হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, পরে থাকা শূন্যপদ, চাকরির ইন্টারভিউ বা কাউন্সেলিংয়ের পরেও কাজে যোগ না দেওয়ায় মোট শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৭১৩টি। তা থেকেই এই ১২৪১ জন প্রার্থীকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। আগের কাউন্সেলিংয়ে এই প্রার্থীদের যোগ্যতা, ভাষা মাধ্যম এবং বিষয় সংক্রান্ত শূন্যপদ না-থাকায় তাঁদের নিয়োগ করা যায়নি। তবে, যেভাবেই হোক, এঁদের নিয়োগের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ রয়েছে হাইকোর্টের। তা সত্ত্বেও বিকাশ ভবনের তরফে কোনো আশ্বাস এখনো না মেলায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন প্রার্থীরা। 

Advertisement

আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থী মঞ্চের সভাপতি সুশান্ত ঘোষ মঙ্গলবার বলেন, ‘শীর্ষস্তরের আমরা, আধিকারিক ও পদাধিকারীদের ডেকে পাঠিয়েছে হাইকোর্ট। তা সত্ত্বেও কেন শিক্ষাদপ্তর নিয়োগের উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা আমরা বুঝতে পারছি না। ৩০ মার্চের মধ্যে নিয়োগের ব্যবস্থা না করলে আদালত রুল জারি করতে পারে বলেও জানিয়েছিল।’ 
বিকাশ ভবনের তরফেও অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে কেউ কিছু বলতে চাননি। অন্যদিকে, এদিন বিকাশ ভবনে সমগ্র শিক্ষা মিশনের রাজ্য প্রকল্প অধিকর্তার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের স্থায়ীকরণ, এজেন্সি প্রথার অবসান, ছুটির সুনির্দিষ্ট নিয়ম চালু এবং বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে এসেছেন এনএসকিউএফ শিক্ষকরা।

সম্পর্কিত সংবাদ