নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সোনারপুরে এক প্রাক্তন ফুটবলারকে মারধর ও তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য নারায়ণ দাস ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি প্রাক্তন ফুটবলার বাবুদাস পোদ্দার। তাঁর পরিজনদের বক্তব্য, এক শিশুকে শাসন করায় বাবুদাসের উপর এই হামলা ও মারধরের ঘটনা।
সোনারপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের শীতলা এলাকার বাসিন্দা বাবুদাস বর্তমানে কচিকাঁচাদের ফুটবলের প্রশিক্ষণ দেন। তাঁর ভাই বলেন, কয়েকদিন ধরেই বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের উপর পাড়ার এক শিশু খেলতে আসছিল। কিন্তু ওই সেপটিক ট্যাঙ্কের অবস্থা ভালো না হওয়ায় তাকে সেখানে খেলতে বারবার বারণ করা হয়েছিল। কথা না শুনে মঙ্গলবার বিকেলে ওই ট্যাঙ্কের উপর ছোটাছুটি করছিল সে। তাই দাদা তাকে শাসন করে একটি চড় মারে। এরপর রাতে ১০-১২ জন লোক আচমকা বাড়িতে এসে হামলা চালায়। পঞ্চায়েত সদস্যের নেতৃত্বেই দাদাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বাড়ির জিনিসপত্রও ভাঙচুর করেছে তারা।
খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে আসার আগেই ওই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। এ নিয়ে বুধবার সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে আক্রান্তের পরিবার।
অন্যদিকে, ওই শিশুকে চড় মারায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন সেই বাড়ির লোক। শিশুর মায়ের বক্তব্য, বাবু ছেলেকে একাধিকবার লাথি মেরেছে। এমনকী গলার উপর পা তুলে দিয়েছিল। এর জন্য ওর প্রাণ সংশয় হতে পারত। স্থানীয় মানুষজন ওকে বাঁচিয়েছে। দু’টি অভিযোগই তদন্ত করে দেখছে পুলিস। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। তিনি বলেন, স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে বাবুদাসের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। তার জেরেই তিনি জখম হয়েছেন। নিজস্ব চিত্র