লোকালয়ে হাতি ঠেকাতে ১১টি এআই ক্যামেরা বসাল বনদপ্তর
  • ২৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:০৭
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: হাতি ও মানুষের সংঘাত ঠেকাতে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল। হাতিদের গতিবিধি জানতে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় ‘এআই’ প্রযুক্তি নির্ভর ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করল বক্সা কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি একটি সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে। বনদপ্তর অনেক দিন ধরেই হাতি ও মানুষের সংঘাত ঠেকাতে নানা ধরণের পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করে চলেছে। কিন্তু লোকালয়ে হাতি ঠেকাতে এই এআই প্রযুক্তি নির্ভর ক্যামেরা প্রতিস্থাপন এই প্রথম। 

Advertisement

বনদপ্তরের সমীক্ষায় উঠে এসেছে হাতিরা প্রতিদিনই নতুন নতুন রাস্তা ব্যবহার করছে। সন্ধ্যা নামলে সেই রাস্তা ধরেই লোকালয়ে হানা দিচ্ছে হাতির দল। লোকালয়ে হাতিদের আনাগোনা ঠেকাতেই বক্সা কর্তৃপক্ষ ১১টি এআই প্রযুক্তি নির্ভর ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করেছে। ওই ক্যামেরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমের মনিটরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। মনিটরগুলিতে হাতিদের গতিবিধি ধরা পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে বার্তা যাবে এলিফ্যান্ট স্কোয়াড র‌্যাপিড রেসপন্স টিমের কাছে। 

সেই বার্তা পৌঁছে যাবে সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ, বিট অফিস ও বনদপ্তরের উর্ধ্বতন আধিকারিকদের কাছেও। এই এআই প্রযুক্তি নির্ভর সৌর বিদ্যুৎ চালিত ৫টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে বক্সার পশ্চিম ডিভিশনের মাঝেরডাবরী চা বাগান, দমনপুর ও গরমবস্তি এলাকায়। যাতে আলিপুরদুয়ার জেলা শহরে হাতির দল কোনভাবেই ঢুকতে না পারে। তিনটি ক্যামেরা বসানো হয়েছে নিমতি, নিমতিঝোরা চা বাগান ও দোমহনি এলাকায়। বাকি তিনটি ক্যামেরা বসানো হয়েছে বক্সার পূর্ব ডিভিশনের নারারথলি, মারাখাতা ও কার্তিকায়। 

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন বলেন, সভ্যতা এগোচ্ছে। হাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাত ঠেকাতে আমাদেরও উন্নত প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হচ্ছে। তারই পদক্ষেপ হিসাবে এআই প্রযুক্তি নির্ভর ১১টি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে বক্সার দুটি ডিভিশনে।