Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রেশনে আরও বেশি খাদ্যশস্য পাবে দশের বেশি সদস্য থাকা পরিবারগুলি, উদ্যোগী রাজ্য

পরিবারে ১০ জনের বেশি সদস্য আছেন, অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার আওতাভুক্ত এমন রেশন গ্রাহকদের যে পরিমাণ খাদ্যশস্য দেওয়া হয়, তা যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছে খাদ্যদপ্তর।

রেশনে আরও বেশি খাদ্যশস্য পাবে দশের বেশি সদস্য থাকা পরিবারগুলি, উদ্যোগী রাজ্য
  • ২৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরিবারে ১০ জনের বেশি সদস্য আছেন, অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার আওতাভুক্ত এমন রেশন গ্রাহকদের যে পরিমাণ খাদ্যশস্য দেওয়া হয়, তা যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছে খাদ্যদপ্তর। তাই দপ্তর এই পরিবারগুলিকে আরও বেশি পরিমাণে খাদ্যশস্য দিতে উদ্যোগী হয়েছে। এই লক্ষ্যে দু’টি প্রস্তাব কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দপ্তরের রিফর্ম সেলকে। হয় ১০ জনের বেশি সদস্য থাকা অন্ত্যোদয় পরিবারগুলিকে দু’টি ভাগে ভাগ করে দিতে হবে। অথবা এরকম পরিবারের কিছু সদস্যকে অন্য কোনও রেশন প্রকল্পের আওতাভুক্ত করতে হবে। প্রসঙ্গত, অন্ত্যোদয় গ্রাহকরা কেন্দ্রীয় সরকারের খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় পরিবার পিছু মাসে ৩৫ কেজি করে খাদ্যশস্য পেয়ে থাকেন। পরিবারে কতজন সদস্য আছে, তার উপর খাদ্যশস্যর পরিমাণ নির্ভর করে না। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আওতায় থাকা অন্য গ্রাহকদের জন্য মাসে মাথা পিছু ৫ কেজি করে চাল-গম বরাদ্দ হয়। সূত্রের খবর, পরিবারের সদস্য সংখ্যা মাত্র এক, এমন তিন লক্ষেরও বেশি অন্ত্যোদয় কার্ড বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে খাদ্যদপ্তর। তারই ধারাবাহিকতায় নয়া এই নিয়ম আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। খাদ্যদপ্তরের সাম্প্রতিক পর্যালোচনা বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কোনও রেশন গ্রাহকের আধারের ‘ই-কেওয়াইসি’ না হলেও তাঁর কার্ড নিষ্ক্রিয় করার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কোনও প্রকৃত গ্রাহকের কার্ড নিষ্ক্রিয় করে তাঁকে খাদ্যসামগ্রী পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা যাবে না কোনও অবস্থাতেই। প্রকৃত রেশন গ্রাহক হওয়া সত্ত্বেও কোনও কারণে হয়তো তিনি ‌ই-কেওয়াইসি করাতে পারেননি। এসব ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত তদন্ত করে নিষ্পত্তি করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু বলেন, ‘খাদ্যদপ্তরের এই উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। বয়সজনিত ও অসুস্থতার কারণে অনেক গ্রাহকের ই-কেওয়াইসি করানো সম্ভব হয় না। কিন্তু এরকম অনেক গ্রাহকের কার্ড নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ায় বরাদ্দ বন্ধ হয়ে যায়। তা আর হবে না।’ প্রসঙ্গত, রাজ্যের রেশন গ্রাহকদের ৯৭.৩৭ শতাংশেরই ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে খাদ্যদপ্তর। পশ্চিমবঙ্গ এ ব্যাপারে রাজ্যগুলির মধ্যে উপরের দিকেই রয়েছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ