


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সংসদের আসন্ন অধিবেশনে ইপিএফ ইস্যুতে বিরোধী এমপিদের তুমুল বিরোধিতার আশঙ্কায় ভুগছে কেন্দ্রের শাসক শিবির। তাই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই দেশের সমস্ত কর্মী পিএফ (ইপিএফ) গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা জমা করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে শ্রমমন্ত্রক। কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন (ইপিএফও) সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই দেশের প্রায় সাড়ে সাত কোটি ইপিএফ গ্রাহক এবং প্রায় ৭০ লক্ষ কর্মী পিএফ পেনশন প্রাপকের অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা জমা পড়বে। প্রসঙ্গত, আগামী ২১ জুলাই সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। চলবে ২১ আগস্ট পর্যন্ত। যদিও শ্রমমন্ত্রকের এহেন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ইতিমধ্যে সরব সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি।
তাদের প্রশ্ন, বিগত প্রায় দু’মাস ধরে সুদের টাকা জমা করার এই প্রক্রিয়া চলছে। এত দিনেও কেন সমস্ত পিএফ গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা জমা করা হয়নি! এই বিষয়ে শ্রমমন্ত্রক বা কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে শ্রমমন্ত্রক সূত্রে খবর, পুরোটাই প্রযুক্তি নির্ভর। এক্ষেত্রে সফ্টওয়্যার সংক্রান্ত কিছু পরিবর্তন করতে হয় ইপিএফওকে। ফলে কিছুটা সময় প্রয়োজন।
গত মার্চ মাসে ইপিএফও অছি পরিষদের বৈঠকে ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে ইপিএফ সুদ ৮.২৫ শতাংশ হারে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সুদের হার একই থাকলেও তাতে অর্থমন্ত্রকের অনুমোদন পেতে প্রায় তিন মাস সময় লাগে। এরপরেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইপিএফও জানায়, অর্থমন্ত্রকের অনুমোদনক্রমে ইপিএফ গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা জমা করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।