Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটারের বৈধতা যাচাইয়ে টু স্টেপ ভেরিফেকশনের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

ভোটাররা আসল কি না এবং কীভাবে তা জানা যাবে, বিএলওদের বুঝিয়ে দেবেন সেক্টর অফিসাররা। এক্ষেত্রে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

ভোটারের বৈধতা যাচাইয়ে টু স্টেপ ভেরিফেকশনের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোটাররা আসল কি না এবং কীভাবে তা জানা যাবে, বিএলওদের বুঝিয়ে দেবেন সেক্টর অফিসাররা। এক্ষেত্রে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। এই প্রক্রিয়া ঠিকমতো মেনে চলা হচ্ছে কি না তার উপর বিশেষ নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে স্পর্শকাতর এলাকায় কিউআরটি নিয়ে পুলিশের কী প্ল্যান রয়েছে, তা জানাতে বলা হয়েছে স্থানীয় থানাগুলিকে।

Advertisement

কমিশনের নিত্যনতুন ফতোয়ার ঠেলায় রীতিমতো ঘুম উড়েছে পুলিশের। সঙ্গে কমিশনের আধিকারিকরা প্রতিদিনই পুলিশকর্মীদের সাসপেন্ড থেকে বরখাস্ত করার একাধিক হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। বিভিন্ন  পোলিং স্টেশন এলাকায় সীমানা নেই! এই বিষয়টি পুলিশের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে তুলে ধরেছে কমিশন। সেখানে কী কী করতে হবে তা জানিয়েছে তারা। তারপরেও  দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগে এই সমস্যার সমাধান এখনো হয়নি। ২৯ তারিখ যেসমস্ত কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে, সেখানকার পোলিং বুথগুলির মধ্যে অধিকাংশের সীমানা নেই। এনিয়ে কমিশন স্থানীয় থানাগুলির উপর রীতিমতো অসন্তুষ্ট। বিকল্প ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এমনকি, বুথের ভিতরের একাধিক গেট বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোনো হেলদোল নেই বিভিন্ন থানার। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এরপরেও যদি ব্যবস্থা না-হয় এবং ভোটের দিন যদি দেখা যায় একাধিক গেট খোলা রয়েছে, তাহলে সেক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নেবে তারা। এমনকি, স্পর্শকাতর এলাকায় কিউআরটি পাঠানো নিয়ে বেশিরভাগ থানার কী প্ল্যান রয়েছে, তা তারা জানাচ্ছে না। 
এই কারণে কী ধরনের ফোর্স রাখতে হবে, তা ঠিক করতে পারছেন না কমিশন। তাই কিউআরটির প্ল্যানের উপর জোর দিতে বলা হয়েছে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের সমস্ত থানাকে। একইসঙ্গে সেক্টর অফিসারদের বলা হয়েছে ভোট দিতে আসা ব্যক্তি আসল না নকল, তা যাচাই করার বিষয়টি বিএলওদের বুঝিয়ে দেবেন তাঁরা। এক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় মানতে হবে তাও উল্লেখ করে দিয়েছে কমিশন। তবে পুলিশের কাছে কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, এক্ষেত্রে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ বিএএলওরা ভোটারকে যাচাইয়ের পর বুথের ভিতর থাকা প্রিসাইংডিং অফিসারও পরিচয়পত্র খুঁটিয়ে দেখবেন। যাতে কোনো ফাঁক গলে নকল ভোটার ভোট দিয়ে যেতে না পারে। এই পদ্ধতি ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তার উপর নজর রাখবেন সেক্টর অফিসাররা। এই ব্যাপারে যেকোনো সমস্যায় স্থানীয় থানার সাহায্য নিতে হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ