Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট: মিলবে সরকারি ক্ষেত্রে নিয়োগের তথ্য

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর সরকারি দপ্তরগুলি মোট কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, সেই পরিসংখ্যান ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টে উল্লেখ করা হবে।

আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট: মিলবে  সরকারি ক্ষেত্রে নিয়োগের তথ্য
  • ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর সরকারি দপ্তরগুলি মোট কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, সেই পরিসংখ্যান ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টে উল্লেখ করা হবে। তার জন্যই তৎপরতা শুরু হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে। বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে এই উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রসঙ্গত, বিগত আর্থিক সমীক্ষাগুলিতে সরকারি দপ্তরের মাধ্যমে নিয়োগ বা কর্মসংস্থান নিয়ে পৃথকভাবে কোনও তথ্য-পরিসংখ্যান থাকত না। 

Advertisement

বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ করার দিন সরকারের তরফে আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। এবারের রাজ্য বাজেট কবে পেশ হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে সাধারণত জানুয়ারি মাসের একেবারে শেষ লগ্নে বা ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে বাজেট পেশ হয়ে থাকে। ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের বাজেট বিধানসভায় পেশ হওয়ার দিন তার আগের অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টও পেশ করা হবে। 
আর্থিক সমীক্ষায় রাজ্য সরকারের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের কাজকর্ম তুলে ধরা হয়। এই রিপোর্ট তৈরি করার জন্য কয়েক মাস আগে থেকে উদ্যোগী হয় পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান দপ্তর। সেই মতো ওই দপ্তরের প্রধান সচিব প্রভাত মিশ্র সব দপ্তরের সচিবকে চিঠি দিয়ে আর্থিক সমীক্ষার জন্য তথ্য পরিসংখ্যান পাঠাতে বলেছেন। সব দপ্তরকে ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের নভেম্বর মাসের মধ্যে তাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি লিখে পাঠাতে বলা হয়। তার সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রোফর্মাতে ওই দপ্তর কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, তাও জানাতে বলা হয়েছে। ওই পরিসংখ্যানের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতার জন্য যে তথ্য দপ্তরগুলি পাঠিয়েছে, তা যাতে সঙ্গতিপূর্ণ হয় সেটাও মাথায় রাখতে বলা হয়েছে চিঠিতে। 
কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যান দেওয়ার প্রোফর্মা অনুযায়ী স্থায়ী, অস্থায়ী-চুক্তিভিত্তিক, মজুরি ভিত্তিক কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি অন্য কোনওভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে তাও আলাদাভাবে জানাতে হবে। ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কত কর্মসংস্থান দপ্তরগুলি সৃষ্টি করেছে, আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হবে। সেই সঙ্গে দপ্তর ২০১১ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মোট কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, তাও পৃথকভাবে জানাতে হবে। 
রাজ্য সরকারের দপ্তরগুলি বিগত বছরে স্থায়ী কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী নিয়োগ করেছে। বিভিন্ন দপ্তরে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে অনেক লোক নিযুক্ত হয়েছেন। এই সব পরিসংখ্যান দপ্তরকে জানাতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প এ রাজ্যে বন্ধ করার পর রাজ্য সরকার নিজস্ব উদ্যোগে গ্রামের মানুষকে কাজ দেওয়ার জন্য ‘কর্মশ্রী’ প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তর মানুষকে কাজ দিচ্ছে।  ‘কর্মশ্রী’তে কোন দপ্তর কত কাজ দিয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টের জন্য পাঠাতে হবে। 

সম্পর্কিত সংবাদ