Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রেজিস্টার্ড অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল নিয়ে সন্দেহ! মাঠে কমিশন

তৃণমূল কংগ্রেস— রাজ্যে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলটির নাম জানে আট থেকে আশি। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম ইত্যাদি দলের সঙ্গেও সবাই পরিচিত।

রেজিস্টার্ড অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল নিয়ে সন্দেহ! মাঠে কমিশন
  • ১৯ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শুভঙ্কর বসু, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস— রাজ্যে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলটির নাম জানে আট থেকে আশি। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম ইত্যাদি দলের সঙ্গেও সবাই পরিচিত। কিন্তু ন্যাশনালিস্ট তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি, প্যারাডাইস পার্টি বা  রাইট পার্টি অব ইন্ডিয়া? এসব রাজনৈতিক দলের নাম বা অস্তিত্বের কথা কী কারও জানা? না জানা হলেও রাজ্যে এমনই একগুচ্ছ রাজনৈতিক দল রয়েছে। এসব দলের রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। অথচ তারা অস্বীকৃত বলে পরিচিত। এমন রাজনৈতিক দলগুলির আদৌ কোনও অস্তিত্ব রয়েছে কি না, এবার তা খতিয়ে দেখতে ময়দানে নামছে নির্বাচন কমিশন। 

Advertisement

এই ধরনের রাজনৈতিক দলগুলির কাজকর্ম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, কমিশনের পক্ষ থেকে এই রাজনৈতিক দলগুলির রেজিস্ট্রিকৃত কার্যালয়ের ঠিকানায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও একাধিক ক্ষেত্রে কোনও উত্তরই মেলেনি। চিঠিপত্র পাঠালেও কোনও উত্তর আসেনি। শুধু তাই নয়, একাধিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের কোনও কার্যালয়ের হদিশও মেলেনি। নিয়ম অনুযায়ী ফি-বছর যে অডিট করানোর কথা, এই ধরনের রাজনৈতিক দলগুলি তাও করে না। তাই কমিশনের নির্দেশে এসব রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব যাচাইয়ে সমীক্ষা শুরু করতে চলেছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর(সিইও অফিস)। 
রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে এই ধরনের রাজনৈতিক দলগুলি সম্পর্কে বিশদ তথ্য সংগ্রহ করে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে সিইও অফিস। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় সেই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে খবর। 
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৮। আর অস্বীকৃত অথচ রেজিস্টার্ড রাজনৈতিক দলের সংখ্যা প্রায় ৭০। এর মধ্যে বেশিরভাগ অস্বীকৃত রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই এই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বাইরেও এমন কয়েকটি রাজনৈতিক দলের ঠিকানা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলগুলি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।  সূত্রের খবর, এই অস্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির হদিশ না মিললে তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে। সিইও অফিসের এক আধিকারিক জানান, সমীক্ষা রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তারপর কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ