Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হীরকখচিত গয়না জগদ্ধাত্রীর অঙ্গে, চন্দননগরে আকর্ষণের কেন্দ্রে সোনা-মা

চন্দননগরের সোনা-মা এবার সেজেছেন হীরের সাজে। পঞ্চাশ বছর পার করেছেন চন্দননগর হেলাপুকুর সর্বজনীনের দেবী জগদ্ধাত্রী।

হীরকখচিত গয়না জগদ্ধাত্রীর অঙ্গে, চন্দননগরে আকর্ষণের কেন্দ্রে সোনা-মা
  • ২৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চন্দননগরের সোনা-মা এবার সেজেছেন হীরের সাজে। পঞ্চাশ বছর পার করেছেন চন্দননগর হেলাপুকুর সর্বজনীনের দেবী জগদ্ধাত্রী। তিনি সাধারণত সোনার সাজে সাজেন। ঐতিহ্যবাহী সাজের কারণে তিনি সোনা-মা নামেই পরিচিত। এবার তাঁর ভোলবদল হয়েছে। হীরের দ্যুতি ঢেলে ঠাকুরকে সাজিয়েছেন উদ্যোক্তারা। দেবীর শোলার সাজ। সেসব আছে চালচিত্রে। কিন্তু তাঁর যাবতীয় গয়না এবছর তৈরি হয়েছে হীরকখণ্ড দিয়ে। নানা রকমের গয়নায় সেজে উঠেছেন দেবী হৈমন্তী। পুজো উদ্যোক্তা সুমিত সরকার বলেন, আপাদমস্তক, দেবীর যত গয়না আছে সবই এবার হীরকখচিত। তবে শুধু হীরের বাহার নয়, দেবীর গয়নায় ব্যবহার করা হয়েছে সাদা সোনা বা হোয়াইট গোল্ডও। হীরকখণ্ডে সজ্জিত দেবী যেমন চন্দননগরে প্রথম তেমনই হোয়াইট গোল্ডের গয়নাও দেবীর অঙ্গে কার্যত প্রথমবার উঠেছে। সোনা-মা’র হীরের সাজ দেখতে প্রতিদিনই বহু দর্শক ভিড় জমাচ্ছে হেলাপুকুরের মণ্ডপে। আর মূল্যবান হাজার হীরের দ্যুতির কারণে রাখতে হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাও। তবে শুধু সাদা সোনা আর সাদা রত্নই নয়, হেলাপুকুরের মণ্ডপসজ্জাও এবার বর্ণময়। থিম, জগদ্ধাত্রী শরণম্‌। মূলত দেশবিদেশের নানা উপকথার আদলে তৈরি মুখোশ দিয়ে সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। তাতে যেমন জারোয়াদের আছে তেমনই আছে মঙ্গোলিয়ান মুখোশ। উদ্যোক্তাদের দাবি, মানুষের অনেক মুখোশ থাকে। কিন্তু মানুষ যেমনই হোক তাঁর অন্তিম আশ্রয় দেবী জগদ্ধাত্রী। সেই ঠাকুরকেই হীরের সাজে সাজানো হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ