


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পার্কসার্কাসের ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে মরতে মরতে কোনোক্রমে প্রাণে বাঁচলেন স্ত্রীরোগ বিভাগের এক রোগিণী। জরুরিভিত্তিতে ডায়ালিসিসের দরকার পড়ায় তাঁকে শুক্রবার গভীর রাতে ন্যাশনালের পিপিপি মডেলের ডায়ালিসিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, প্রথমেই জানিয়ে দেওয়া হয়, ডায়ালিসিসের জল নেই। তাই এখন করা যাবে না। স্ত্রীরোগ বিভাগের ক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা তখন জানান, ডায়ালিসিস না করা হলে রোগিণীর জীবনসংকট হতে পারে। তাতেও রাজি না হওয়ায় বিষয়টি জানানো হয় হাসপাতালের শীর্ষ কর্তাদের। সেখান থেকে ফোন আসার পর ডায়ালিসিস হয়।
শুধু এই কেন্দ্রই নয়, এখানকার ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান ঘিরেও অভিযোগের পাহাড় জমা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, হাসপাতালের স্টোরে ওষুধ, চিকিৎসাযন্ত্র বা সার্জিক্যাল জিনিসপত্র অমিল হলে প্রাথমিকভাবে তা নিতে হবে ন্যায্যমূল্যের দোকান থেকে। সেখানে না পাওয়া গেলে শুধুমাত্র তখনই স্থানীয়ভাবে কিনে (লোকাল পারচেজ) পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। কিন্তু মাসের পর মাস ধরে স্টোর থেকে ওষুধ বা সার্জিক্যাল জিনিসপত্রের জন্য ন্যায্য মূল্যের দোকানে কাগজ গেলেই লিখে পাঠানো হচ্ছে, ‘নো স্টক অ্যাভেলেবেল’। ন্যাশনাল সূত্রের খবর, এই কারণে এখানকার স্থানীয়ভাবে কেনাকাটা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। গোটা বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানতে এখানকার উপাধ্যক্ষ এবং কার্যনিবাহী অধ্যক্ষ ডাঃ অর্ঘ্য মৈত্রকে বহুবার ফোন করা হয়েছিল। তিনি ফোন ধরেননি। বিষয়টি সম্পর্কে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, অবশ্যই খোঁজখবর নিয়ে দেখব।