Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

লগ্নি হিসেবে সোনার বাট-মুদ্রার চাহিদা বাড়ছে, দাবি ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের

আমেরিকার শুল্ক নীতি ও বিশ্বের টালমাটাল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে সোনার দাম রেকর্ড করেছে গতমাসেই। কলকাতাতেই ১০ গ্রাম সোনার দাম ১ লক্ষ টাকা ৩১ হাজার টাকার সীমা ছাড়িয়েছে।

লগ্নি হিসেবে সোনার বাট-মুদ্রার চাহিদা  বাড়ছে, দাবি ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আমেরিকার শুল্ক নীতি ও বিশ্বের টালমাটাল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে সোনার দাম রেকর্ড করেছে গতমাসেই। কলকাতাতেই ১০ গ্রাম সোনার দাম ১ লক্ষ টাকা ৩১ হাজার টাকার সীমা ছাড়িয়েছে। দাম বাড়লে সোনার বিক্রি কমবে, এটাই স্বাভাবিক। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে চলতি বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তিনমাস সময়ে দেশে গয়না হিসেবে সোনা বিক্রি হয়েছে ১১৭.৭ টন। গতবছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে ওই একই সময়ে গয়নার সোনার বিক্রি হয়েছিল ১৭১.৬ টন। অর্থাৎ ওজনের নিরিখে গয়না সোনা কম বিক্রি হয়েছে ৩১ শতাংশ। তবে দামবৃদ্ধির কারণে গয়না কম বিক্রি হলেও সোনার কয়েন বা মুদ্রা এবং বাট কেনার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল। তারা জানিয়েছে, গতবছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনমাসে বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে কয়েন ও বাট বা বিস্কুট মিলিয়ে দেশে সোনা বিক্রি হয়েছিল ৭৬.৭ টন। তা এবার বেড়ে ৯১.৬ টনে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেভাবে সোনার দাম বাড়ছে, তাতে আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে, এই আশায় বিনিয়োগ হিসেবে সোনার বিক্রি বাড়ছে। তবে কাউন্সিলের তথ্যই বলে দিচ্ছে, ভারতে সোনা কেনার ক্ষেত্রে মূল চাহিদা রয়েছে সেই গয়নাতেই। 

Advertisement

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনমাসে দেশে মোট সোনা বিক্রি হয়েছে ২০৯.৪ টন। ভারতীয় মূল্যে তার দাম ২ লক্ষ ৩ হাজার ২৪০ কোটি টাকা। যেহেতু গতবছরের তুলনায় সোনার দাম অনেকটাই বেড়েছে, তাই ওজনের নিরেখে একবছর আগের তুলনায় বিক্রি ১৬ শতাংশ কমলেও দামের নিরিখে তা বেড়ে গিয়েছে ২৩ শতাংশ। তার কারণ, গতবছর ওই তিনমাসে সোনার দাম ছিল ১০ গ্রাম পিছু গড়ে ৬৬ হাজার ৬১৪ টাকা। এবার জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই সোনার দর পৌঁছায় গড়ে ৯৭ হাজার ৭৫ টাকায়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনমাসে গয়না ও বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে সোনার যে চাহিদা ছিল, তা পরের তিনমাসে অনেকটাই বেড়েছে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের দাবি, দাম বাড়লেও উৎসবের মরশুমে সোনার চাহিদা বেড়েছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মোট বিক্রিবাটার হিসেবে তা আরও স্পষ্ট হবে। ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যন্ত এবছরে সোনার মোট চাহিদা ৭০০ টনে পৌঁছাতে পারে, আশা করছে তারা।

সম্পর্কিত সংবাদ