


নয়াদিল্লি ও কলকাতা: লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের পর দিল্লির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। কংগ্রেস ও বামেরাও রাজধানীর নাশকতার দায় চাপিয়েছে কেন্দ্রের ঘাড়েই। মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের জাতীয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় যে ত্রুটি ধরা পড়েছে, তার দায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্ত দিল্লি পুলিশের। তাঁর প্রশ্ন, রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে এতবড় ত্রুটি কীভাবে ধরা পড়ল? দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে দীর্ঘ পোস্টও করেন তিনি। লেখেন, দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে এমন ঘটনায় আমি বিস্মিত। দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন। তাদের উচিত ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। কীভাবে নিরাপত্তার এতবড় গাফিলতি হল? সোমবার সকালেই হরিয়ানার ফরিদাবাদে বিস্ফোরক উদ্ধারের পরও দিল্লির নিরাপত্তা এত ঢিলেঢালা কেন, প্রশ্ন তাঁর। এই ঘটনার সত্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের চিহ্নিত করতে আদালতের নজরদারিতে সিট গঠনের দাবিও জানিয়েছেন। এদিন কলকাতায় তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে সাংসদ পার্থ ভৌমিক ও মন্ত্রী শশী পাঁজা দাবি করেন, অবিলম্বে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করুন। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য অন্য কেরিয়ার অপেক্ষা করছে। আপনি সেদিকে নজর দিন। আমাদের রক্ষা করার জন্য দেশে একটি শক্তিশালী সরকার প্রয়োজন। ঘৃণ্য ভাষণ দেওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নয়, ওই পদে একজন পূর্ণমন্ত্রী দরকার। অমিত শাহের মতো মন্ত্রীর আমাদের প্রয়োজন নেই।’ সিপিএমের পলিটব্যুরোর তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দিল্লির ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। এর সঙ্গে বড়ো কোনও নেটওয়ার্ক জড়িত। তাদের চিহ্নিত ও বিচারের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব সরকারের। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা এম বীরাপ্পা মহলি বলেন, এটি সন্ত্রাসবাদী হামলা। যাঁরা দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁরাই এর জন্য দায়ী। অপারেশন সিন্দুরের সময় সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করে মোদি সরকার পাক জঙ্গিদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে বলে তোপ দাগেন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং।