


নয়াদিল্লি: ‘অপারেশন সিন্দুরে’ খতমের তালিকায় রয়েছে জয়েশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার আব্দুল রাউফ আসগরও। আর সেকথা জানার পর রীতিমতো খুশি জুডিয়া পার্ল। কারণ, তাঁর ছেলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্লের হত্যার নেপথ্যে ছিল এই জয়েশ জঙ্গিও। ভারতের এয়ার স্ট্রাইকে ছেলের হত্যাকারীর মৃত্যুর খবরে খুশি জুডিয়া গাইলেন ইজরায়েলের জাতীয় সঙ্গীত ‘হাতিকভাহ’...যার অর্থ ‘আশা’।
জুডিয়া পার্লের ইজরায়েলি জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার ভিডিও পোস্ট করেছেন জেরুজালেম পোস্টের কলামনিস্ট জিনা রাখামিলোভা। শুধু তাই নয়, ভারতের এয়ার স্ট্রাইকে খতম জঙ্গিদের শেষকৃত্যে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা কেন যোগ দিয়েছিলেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ড্যানিয়েল পার্লের বাবা। উল্লেখ্য, ২০০২ সালের জানুয়ারি মাসে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্লকে করাচিতে অপহরণ করেছিল জঙ্গিরা। মুবারক আলি গিলানি নামে এক পাক মৌলবীর সাক্ষাৎকার নিতে যাওয়ার সময় জঙ্গিরা ওই সাংবাদিককে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। পরে খুন করা হয় ড্যানিয়েলকে। জুডিয়া পার্লের দাবি, ভারতের অপারেশনে খতম আসগরের জঙ্গিগোষ্ঠী পরোক্ষে ড্যানিয়েল পার্লের অপহরণের সঙ্গে জড়িত ছিল। কারণ কান্দাহার বিমান ছিনতাই কাণ্ডে ওমর শেখের মুক্তি নিশ্চিত করার নেপথ্যে এই আসগরেরও ভূমিকা ছিল। আর এই ওমর শেখের হাতেই অপহৃত হতে হয় ড্যানিয়েল পার্লকে। ওমর শেখের ফাঁসির সাজা হলেও পরে তাকে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে পাক সরকারের ‘সেফ হাউসে’ রাখা হয়েছিল।
জুডিয়া পার্লের দাবি, ছেলে ড্যানিয়েলের হত্যার সঙ্গে জড়িত দুই কুশীলবের এখনও কোনও সাজা হয়নি। এর মধ্যে একজন ৯/১১ হামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রী খালিদ শেখ মহম্মদ। অন্যজন ওমর শেখ। আশা করি, জয়েশ কমান্ডার অসগর খতম হওয়ায় এবার ড্যানিয়েল হত্যার দুই মূল অপরাধীর দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে।