


সংবাদদাতা, বজবজ: ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের হাসিমনগরে একাধিক জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড় রাতভর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর দলে দলে দর্শনার্থী থিমভিত্তিক মণ্ডপ দেখতে ভিড় করে। কাকদ্বীপ, কুলপি, ফলতার দিঘিরপাড়, উস্তি, শিরাকোল, শেরপুর, ডায়মন্ডহারবার, ফতেপুর, বাঘারিয়া, আউসবেড়িয়া, দোস্তিপুর, খেলারামপুর ও শ্রীচন্দা এলাকা থেকে বহু মানুষ হাসিমনগর যান। রাত যত বেড়েছে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে উৎসাহীদের ভিড়।
শিরাকোল থেকে পায়ে হেঁটে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে হাসিমনগর গিয়েছিলেন পলাশ পাট্টা। তাঁর বাড়ি খেলারামপুর। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন। বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি জাঁকজমকের সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পুজো হয় হাসিমনগরে। সে কারণে মানুষ বেশি যান। আমরাও যাচ্ছি। হাসিমনগরের ঢোকার রাস্তা খুব ছোট তাই মোটরবাইক বা ই-রিকশ কিছুই ঢুকতে দেওয়া হয় না। তাই অনেকটা হেঁটেই যাচ্ছি। ওখানে সবমিলিয়ে বড় পুজো হয় ২০টির মতো। সবকটা দেখে বাড়ি ফিরতে মাঝরাত। কাকদ্বীপের স্বপন জানা, কুলপির রাধানাথ মণ্ডল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসিমনগরে বুড়ি মা দেখতে গিয়েছিলেন। প্রতিমা দেখে তাঁরা খুব খুশি। সবুজ সংঘ, পাত্রপাড়া, নিউ ইয়ং ফাইটার, জয়ধ্বনি, সহযাত্রী, করপাড়ায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধু কালো মাথার ভিড়। ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার ট্রাফিক বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, পুজোর কারণে ভিড় হবে। এটা ধরে নিয়েই যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। অনেক রাত পর্যন্ত ট্রাফিক বুথ সক্রিয় ছিল। টহলদারি ভ্যান, সাদা পোশাকের পুলিস ছিল চারপাশে। গভীর রাত পর্যন্ত মুকুলিকা মোড় থেকে ফলতা, দোস্তিপুর মোড় থেকে এসবিআই মোড় উস্তি এবং সরিষার দিকে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কোথাও গাড়ি বিকল্প পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী রবিবার পর্যন্ত সন্ধ্যার পর থেকে এই ব্যবস্থা থাকবে।